সকাল ১০:২২ | মঙ্গলবার | ৫ই জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আমার কাছে কেউ একটা পয়সাও পাবে না-ফারুক

ঢাকা-১৭ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন ঢাকাই সিনেমার মিয়াভাই খ্যাত আকবর হোসেন খান পাঠান ফারুক। কিন্তু তারপরও দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় আওয়ামী লীগের আরেক প্রভাবশালী নেতা ঢাকা উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাদের খানকে। তারা দুজনই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর রটে গেছে, ক্ষমতাসীন দল এই আসনটি ছেড়ে দেবে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে। দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এরশাদও।

কিন্তু আসনটি শরিক দলপ্রধানকে ছেড়ে দেওয়ার খবরটিকে স্রেফ গুজব বলে উড়িয়ে দিয়ে ফারুক ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘নৌকা আমার। শুধু ঢাকা-১৭ আসনেই নয়, সারা বাংলাদেশের নৌকা আমার। আমি আওয়ামী লীগকে ধারণ করি, বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করি। বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে নৌকা প্রতীককে বিজয়ের মুকুট পরিয়ে দেয়ার সক্ষমতা আমার আছে। মানুষ ভালোবাসে আমাকে।’

ফারুক বলেন, ‘আমি আজন্ম নৌকা লালন করেছি, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধরে জীবন সাজিয়েছি। সিনেমা অঙ্গনে আওয়ামী লীগকে স্ট্রং করেছি। এসব কিছু বিবেচনা করেই আমাকে টিকিট দেয়া হয়েছে। এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত। তাই সবাইকে অনুরোধ করব ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। সেদিন জানা যাবে কি হবে আর কি হবে না। শেখ হাসিনা একজন বিচক্ষণ নেত্রী। তিনি যা সিদ্ধান্ত নেবেন বুঝে শুনেই নেবেন। যেভাবে বুঝে শুনে আমাকে এই আসনের টিকিট দিয়েছেন সেভাবেই তিনি তার সিদ্ধান্তে অটুট থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।’

এ রকম একটা গুজব কেন উঠল বলে মনে হয় এই প্রশ্নে ফারুক হেসেন বলেন, ‘গুজব ছড়ানোর জন্যই তো গুজবের জন্ম। আর গুজব ছড়ালে মানুষ আলোচনার মতো বিষয়বস্তু পায়।’

যদি আওয়ামী লীগ সত্যি সত্যি এরশাদকে মনোনয়ন দেয়?

-দেবে না। দিলেও তা হবে দুঃখজনক। আর তখন নেত্রীকে অনুরোধ করব আমি নৌকায় আর সে লাঙ্গলে থাকবে। দুজনই অংশ নেব নির্বাচনে। ইনশাল্লাহ নৌকাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে নিয়ে আসব।

এ রকম তো নজির নেই, জোটের প্রার্থীর সঙ্গে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার।

-নজির নেই তাতে কী? নজির তৈরি করতে হবে। নেই বলে যে হবে না এটা তো না।

আপনার নামে ঋণখেলাপির অভিযোগ আছে, এ কারণেই দল আপনার মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন?

-ডাহা মিথ্যে কথা। আমার কাছে কেউ একটা পয়সাও পাবে না। আমি সব ঋণ পরিশোধ করে দিয়েছি। আমার কাছে কোন ব্যাংক টাকা পায় এ রকম প্রমাণ কেউ দেখাতে পারলে আমি নিজেই আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেব।

Print Friendly, PDF & Email

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» প্রিয়াংকাকে আহবায়ক করে ময়মনসিংহ মহানগর যুবমহিলা লীগের কমিটি ঘোষনা

» সুসংগঠিত সাংগঠনিক শক্তির বিকল্প নেই- ময়মনসিংহে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল

» সাংগঠনিক ব্যাক্তিত্ব নির্বাচন করে নেতৃত্বে আনা হবে-ময়মনসিংহ মহানগর ওয়ার্ড সম্মেলনে বক্তারা

» শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ময়মনসিংহ যুবলীগের বর্ণাঢ্য র‍্যালী

» নেত্রকোনায় কোটি টাকার জুয়ার আসর সেহরি করিয়ে বিদায়; পুলিশ ম্যানেজ!

» গৌরীপুরে সরকারি সম্পত্তির শত শত ট্রাক মাটি কেটে সাবাড় করছে আ’লীগ নেতার ছেলে !  

» ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মঞ্চ কাঁপালেন এলিজা

» শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মমেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ শিক্ষার্থী বহিস্কার

» ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগের প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ

» সাম্প্রদায়িকতা রুখবে সংস্কৃতি

» যুবলীগকে মাঠে নামতে বাধ্য করবেন না- বিএনপিকে এড.আজহারুল ইসলামের হুশিয়ারী

» মতিউর রহমানকে “একুশে পদক” প্রদান করায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দের বণ্যা

» কোতোয়ালী যুবলীগ নেতা আদনানের উদ্যেগে পথ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

» ময়মনসিংহ রাজনীতির প্রিন্সিপাল অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের জীবন বৃত্তান্ত

» আগুনকে হাতুড়িপেটায় আহত করে ছিনতাইকারী সাজাতে ভিডিও ধারণ!

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com

,

basic-bank

আমার কাছে কেউ একটা পয়সাও পাবে না-ফারুক

ঢাকা-১৭ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন ঢাকাই সিনেমার মিয়াভাই খ্যাত আকবর হোসেন খান পাঠান ফারুক। কিন্তু তারপরও দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় আওয়ামী লীগের আরেক প্রভাবশালী নেতা ঢাকা উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাদের খানকে। তারা দুজনই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর রটে গেছে, ক্ষমতাসীন দল এই আসনটি ছেড়ে দেবে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে। দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এরশাদও।

কিন্তু আসনটি শরিক দলপ্রধানকে ছেড়ে দেওয়ার খবরটিকে স্রেফ গুজব বলে উড়িয়ে দিয়ে ফারুক ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘নৌকা আমার। শুধু ঢাকা-১৭ আসনেই নয়, সারা বাংলাদেশের নৌকা আমার। আমি আওয়ামী লীগকে ধারণ করি, বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করি। বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে নৌকা প্রতীককে বিজয়ের মুকুট পরিয়ে দেয়ার সক্ষমতা আমার আছে। মানুষ ভালোবাসে আমাকে।’

ফারুক বলেন, ‘আমি আজন্ম নৌকা লালন করেছি, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধরে জীবন সাজিয়েছি। সিনেমা অঙ্গনে আওয়ামী লীগকে স্ট্রং করেছি। এসব কিছু বিবেচনা করেই আমাকে টিকিট দেয়া হয়েছে। এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত। তাই সবাইকে অনুরোধ করব ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। সেদিন জানা যাবে কি হবে আর কি হবে না। শেখ হাসিনা একজন বিচক্ষণ নেত্রী। তিনি যা সিদ্ধান্ত নেবেন বুঝে শুনেই নেবেন। যেভাবে বুঝে শুনে আমাকে এই আসনের টিকিট দিয়েছেন সেভাবেই তিনি তার সিদ্ধান্তে অটুট থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।’

এ রকম একটা গুজব কেন উঠল বলে মনে হয় এই প্রশ্নে ফারুক হেসেন বলেন, ‘গুজব ছড়ানোর জন্যই তো গুজবের জন্ম। আর গুজব ছড়ালে মানুষ আলোচনার মতো বিষয়বস্তু পায়।’

যদি আওয়ামী লীগ সত্যি সত্যি এরশাদকে মনোনয়ন দেয়?

-দেবে না। দিলেও তা হবে দুঃখজনক। আর তখন নেত্রীকে অনুরোধ করব আমি নৌকায় আর সে লাঙ্গলে থাকবে। দুজনই অংশ নেব নির্বাচনে। ইনশাল্লাহ নৌকাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে নিয়ে আসব।

এ রকম তো নজির নেই, জোটের প্রার্থীর সঙ্গে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার।

-নজির নেই তাতে কী? নজির তৈরি করতে হবে। নেই বলে যে হবে না এটা তো না।

আপনার নামে ঋণখেলাপির অভিযোগ আছে, এ কারণেই দল আপনার মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন?

-ডাহা মিথ্যে কথা। আমার কাছে কেউ একটা পয়সাও পাবে না। আমি সব ঋণ পরিশোধ করে দিয়েছি। আমার কাছে কোন ব্যাংক টাকা পায় এ রকম প্রমাণ কেউ দেখাতে পারলে আমি নিজেই আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেব।

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com