দুপুর ২:২৯ | মঙ্গলবার | ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

আমার কাছে কেউ একটা পয়সাও পাবে না-ফারুক

ঢাকা-১৭ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন ঢাকাই সিনেমার মিয়াভাই খ্যাত আকবর হোসেন খান পাঠান ফারুক। কিন্তু তারপরও দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় আওয়ামী লীগের আরেক প্রভাবশালী নেতা ঢাকা উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাদের খানকে। তারা দুজনই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর রটে গেছে, ক্ষমতাসীন দল এই আসনটি ছেড়ে দেবে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে। দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এরশাদও।

কিন্তু আসনটি শরিক দলপ্রধানকে ছেড়ে দেওয়ার খবরটিকে স্রেফ গুজব বলে উড়িয়ে দিয়ে ফারুক ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘নৌকা আমার। শুধু ঢাকা-১৭ আসনেই নয়, সারা বাংলাদেশের নৌকা আমার। আমি আওয়ামী লীগকে ধারণ করি, বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করি। বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে নৌকা প্রতীককে বিজয়ের মুকুট পরিয়ে দেয়ার সক্ষমতা আমার আছে। মানুষ ভালোবাসে আমাকে।’

ফারুক বলেন, ‘আমি আজন্ম নৌকা লালন করেছি, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধরে জীবন সাজিয়েছি। সিনেমা অঙ্গনে আওয়ামী লীগকে স্ট্রং করেছি। এসব কিছু বিবেচনা করেই আমাকে টিকিট দেয়া হয়েছে। এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত। তাই সবাইকে অনুরোধ করব ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। সেদিন জানা যাবে কি হবে আর কি হবে না। শেখ হাসিনা একজন বিচক্ষণ নেত্রী। তিনি যা সিদ্ধান্ত নেবেন বুঝে শুনেই নেবেন। যেভাবে বুঝে শুনে আমাকে এই আসনের টিকিট দিয়েছেন সেভাবেই তিনি তার সিদ্ধান্তে অটুট থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।’

এ রকম একটা গুজব কেন উঠল বলে মনে হয় এই প্রশ্নে ফারুক হেসেন বলেন, ‘গুজব ছড়ানোর জন্যই তো গুজবের জন্ম। আর গুজব ছড়ালে মানুষ আলোচনার মতো বিষয়বস্তু পায়।’

যদি আওয়ামী লীগ সত্যি সত্যি এরশাদকে মনোনয়ন দেয়?

-দেবে না। দিলেও তা হবে দুঃখজনক। আর তখন নেত্রীকে অনুরোধ করব আমি নৌকায় আর সে লাঙ্গলে থাকবে। দুজনই অংশ নেব নির্বাচনে। ইনশাল্লাহ নৌকাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে নিয়ে আসব।

এ রকম তো নজির নেই, জোটের প্রার্থীর সঙ্গে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার।

-নজির নেই তাতে কী? নজির তৈরি করতে হবে। নেই বলে যে হবে না এটা তো না।

আপনার নামে ঋণখেলাপির অভিযোগ আছে, এ কারণেই দল আপনার মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন?

-ডাহা মিথ্যে কথা। আমার কাছে কেউ একটা পয়সাও পাবে না। আমি সব ঋণ পরিশোধ করে দিয়েছি। আমার কাছে কোন ব্যাংক টাকা পায় এ রকম প্রমাণ কেউ দেখাতে পারলে আমি নিজেই আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেব।

Print Friendly, PDF & Email

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» যোগ্য জায়গায় যোগ্য ব্যক্তিকে না বসালে ক্ষতি হয় নিজের-মোহিত উর রহমান শান্ত

» দুর্ধর্ষ ট্রেন ডাকাত চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪

» তিন নির্দেশনায় ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা সম্পন্ন

» দুঃসময়ের ত্যাগী নেতৃত্বের হাতেই থাকবে আগামী আওয়ামী লীগ- ময়মনসিংহে বাহাউদ্দিন নাছিম

» শেখ রেহেনার জন্মদিনে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া

» বাহাউদ্দিন নাসিম এর আগমন উপলক্ষে  ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

» কথা ক্লিয়ার-শিক্ষিত,ক্লিন ইমেজ যুবকদের জন্য অবারিত যুবলীগ- কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খসরু

» ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

» ময়মনসিংহ মহানগরী জু্ড়ে শোক আয়োজনে মোহিত উর রহমান শান্ত

» শোক দিবসে যুবলীগনেতা সব্যসাচীর উদ্যেগে অসহায়দের মাঝে বস্ত্র বিতরণ ও গণভোজ

» ১৫ আগস্ট পালন উপলক্ষে ময়মনসিংহ মহানগর সাধারণ সম্পাদকের মতবিনিময় সভা

» ময়মনসিংহে মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে মাসব্যাপী রেশনিং সিস্টেমে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

» শর্ত সাপেক্ষে খুলে দেয়া হয়েছে জেলা স্কুল মোড়ের সেই ত্রুটিপূর্ণ ১৪ তলা ভবন

» সংসার ফিরে পেতে চায় ময়মনসিংহের ডাক্তার জান্নাতুল   

» নগর জুড়ে ময়মনসিংহ মহানগর সাধারণ সম্পাদকের ইফতার বিতরণ

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com

,

basic-bank

আমার কাছে কেউ একটা পয়সাও পাবে না-ফারুক

ঢাকা-১৭ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন ঢাকাই সিনেমার মিয়াভাই খ্যাত আকবর হোসেন খান পাঠান ফারুক। কিন্তু তারপরও দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় আওয়ামী লীগের আরেক প্রভাবশালী নেতা ঢাকা উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাদের খানকে। তারা দুজনই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর রটে গেছে, ক্ষমতাসীন দল এই আসনটি ছেড়ে দেবে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে। দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এরশাদও।

কিন্তু আসনটি শরিক দলপ্রধানকে ছেড়ে দেওয়ার খবরটিকে স্রেফ গুজব বলে উড়িয়ে দিয়ে ফারুক ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘নৌকা আমার। শুধু ঢাকা-১৭ আসনেই নয়, সারা বাংলাদেশের নৌকা আমার। আমি আওয়ামী লীগকে ধারণ করি, বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করি। বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে নৌকা প্রতীককে বিজয়ের মুকুট পরিয়ে দেয়ার সক্ষমতা আমার আছে। মানুষ ভালোবাসে আমাকে।’

ফারুক বলেন, ‘আমি আজন্ম নৌকা লালন করেছি, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধরে জীবন সাজিয়েছি। সিনেমা অঙ্গনে আওয়ামী লীগকে স্ট্রং করেছি। এসব কিছু বিবেচনা করেই আমাকে টিকিট দেয়া হয়েছে। এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত। তাই সবাইকে অনুরোধ করব ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। সেদিন জানা যাবে কি হবে আর কি হবে না। শেখ হাসিনা একজন বিচক্ষণ নেত্রী। তিনি যা সিদ্ধান্ত নেবেন বুঝে শুনেই নেবেন। যেভাবে বুঝে শুনে আমাকে এই আসনের টিকিট দিয়েছেন সেভাবেই তিনি তার সিদ্ধান্তে অটুট থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।’

এ রকম একটা গুজব কেন উঠল বলে মনে হয় এই প্রশ্নে ফারুক হেসেন বলেন, ‘গুজব ছড়ানোর জন্যই তো গুজবের জন্ম। আর গুজব ছড়ালে মানুষ আলোচনার মতো বিষয়বস্তু পায়।’

যদি আওয়ামী লীগ সত্যি সত্যি এরশাদকে মনোনয়ন দেয়?

-দেবে না। দিলেও তা হবে দুঃখজনক। আর তখন নেত্রীকে অনুরোধ করব আমি নৌকায় আর সে লাঙ্গলে থাকবে। দুজনই অংশ নেব নির্বাচনে। ইনশাল্লাহ নৌকাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে নিয়ে আসব।

এ রকম তো নজির নেই, জোটের প্রার্থীর সঙ্গে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার।

-নজির নেই তাতে কী? নজির তৈরি করতে হবে। নেই বলে যে হবে না এটা তো না।

আপনার নামে ঋণখেলাপির অভিযোগ আছে, এ কারণেই দল আপনার মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন?

-ডাহা মিথ্যে কথা। আমার কাছে কেউ একটা পয়সাও পাবে না। আমি সব ঋণ পরিশোধ করে দিয়েছি। আমার কাছে কোন ব্যাংক টাকা পায় এ রকম প্রমাণ কেউ দেখাতে পারলে আমি নিজেই আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেব।

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com