দুপুর ১:৩৯ | বুধবার | ৩০শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আর কিছুই করার নেই বলার আগে কথায় নয়,কাজে কঠোর হন-ময়মনসিংহের দায়িত্বশীলরা

জনমত মন্তব্য প্রতিবেদনঃ বিল্লাল হোসেন প্রান্তঃ

ময়মনসিংহে দিনে দিনে বেড়েই চলছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমন। সবচাইতে বেশি ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাজারগুলো আর হাসপাতাল। মানুষ সবচাইতে বেশি জমায়েত হচ্ছে খাদ্য সংগ্রহ করতে আর চিকিৎসা নিতে। কেউ সংক্রমিত হলেও সে তাৎক্ষণিক জানতে পারছেনা। তাই অন্যকে সহজে সংক্রমিত করছে। এক্ষেত্রে সবার আগে বাজার নিয়ে কিছু বাস্তব সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় এখনি। বাজার স্থানান্তর করেও কোন কাজ হচ্ছে না এমন জরিপ অবশ্যই আপনাদের কাছে আছে, বোধকরি।

মানুষকে সহায়তার নামে জমায়েত এখনই কঠোরভাবে বন্ধ করা প্রয়োজন। সহায়তা সামগ্রী একমাত্র ঘরে পৌছে দেয়ার মাধ্যমে চলতে পারে। আর কোন অপশন রাখা এ মুহূর্তে আত্মঘাতি বলে মনে করছে সচেতনরা।  নগরীর মেছুয়া বাজারে চাপ কমাতে কাচাবাজারকে ব্রহ্মপুত্র পাড়ে নিয়ে গেছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন। তবে সেখানে এখনও অনেক দোকান খালি পরে আছে। ব্যবসায়ীরা বলছে এখানে বেচাকেনা কম হয়। মানুষ কম আসে। অন্যদিকে কাচাবাজার সরে আসলেও মেছুয়া বাজেরে রয়ে গেছে আগের মতই মানুষের ঢল। কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না!

দেশের বৃহত্তর একটি প্রতিষ্ঠানের জেলা সমন্বয়ক ডেইলি জনমতকে নিজের একটি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলছেন বাজার একটি দৈনন্দিন প্রয়োজনের কারণ। মানুষ বাজারে যাবেই। কিন্তু এসময় বাজার যদি মানুষের বাড়ির সামনে নেয়া যায় তবে ব্যাপক সমাগম কমানো যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রতি এলাকায় ভ্যানগাড়িতে করে বাজার পৌঁছে দেয়া যায়। বিশেষ করে প্রতি এলাকায় মাছ মাংস, সবজি, তৈজসপত্রের তিনটি আলাদা ভ্যান হতে পারে। একটি নির্দিষ্ট সময়ে ভ্যানগাড়িগুলো পন্য নিয়ে পদক্ষিন করলে যাদের বাড়ির সামনে যাবে তারা দুরত্ব বজায় রেখে পন্য সংগ্রহ করতে পারেন। এতে জটলা সৃষ্টি হওয়ার সুযোগ কম থাকবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। বিষয়টা মনিটরিং করার জন্য সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন তদারকি করতে পারেন। প্রস্তাবটি কতটা যুক্তিসংগত তা নগর পরিকল্পনাবিদরা চিন্তা করে দেখবেন।

এবার আসা যাক চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিতদের দিকে। নানা কারণে চিকিৎসা সেবা নিতে গিয়ে চিকিৎসকসহ এ পেশায় জড়িতদের সংক্রমিত হওয়ার বিষয়টি ময়মনসিংহ সম্প্রতি ব্যাপক আকার ধারন করেছে। যেহারে চিকিৎসকরা আক্রামিত হচ্ছেন এতে একটি সময় চিকিৎসক সংকটে পড়বে পুরো বিভাগ। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য সুনির্দিষ্ট শক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করা জরুরী। ডক্টরস সেফটি চেম্বার বক্স” করোনাভাইরাস বহন করে আসা কোনো রোগীর মাধ্যমে যাতে হাসপাতালের চিকিৎসক, সেবিকা এবং স্টাফ ঝুঁকির মধ্যে না পড়েন এবং রোগীরাও যাতে সুরক্ষিত থাকে সেজন্য এ চেম্বার চালু করা যেতে পারে। যা ইতিমধ্যে নড়াইল২ আসনে চালু হয়েছে। সেই সাথে তাদের পরিবারকে রক্ষা করতে চিকিৎসকদের নগরীর সব বড় হোটেলগুলোতে থাকা, খাওয়া ও যাতায়েতের ব্যবস্থা করা যেতে পারে কিনা ভেবে দেখবেন দায়িত্বশীলরা।

এবার সর্বজনীন আরেকটি ব্যবস্থা ইচ্ছে করলেই ময়মনসিংহে করা যেতে পারে। নগরীর প্রতিটি প্রবেশ পথে জীবানুনাশক স্প্রে ডোর করা যেতে পারে। যেখানে সর্বাধিক মানুষের সমাগম হচ্ছে সেখানেও এমন ডোর করা যেতে পারে। সর্বোচ্চ ২০ টি স্প্রে ডোর করলে নগরীর সব পথকে এর আওতায় আনা যাবে। যা ইতিমধ্যেই ময়মনসিংহ সেনানিবাস ও র‍্যাব-১৪ তৈরি করেছে। এব্যবস্থাটি সংক্রমন ঠেকাতে অনেক বেশি কার্যকর হবে বলে একাধিক মতপ্রকাশ রয়েছে। এব্যবস্থাগুলো জেলার প্রতিটি উপজেলায় করা যেতে পারে।

ময়মনসিংহ বিভাগে এযাবৎ করোনা আক্রান্ত ১৬১ জন, ময়মনসিংহ জেলায় ৬৬ জন। মৃত্যুবরণ করেছেন ৫ জন। সংখ্যাগুলো আপাতদৃষ্টিতে কম মনে হলেও আনুপাতিক হারে যা আতংকের পরিপূরক বলে দেশকে ঝুকিপূর্ণ বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। করোনা প্রতিরোধ করতে ময়মনসিংহের প্রশাসন জোরদার ভূমিকা রাখছে। তবে জনগণ খামখেয়ালিপনা ও বাধ্যবাদকতায় সংক্রমিত হয়েই চলছে। প্রশাসনের সকল প্রয়াস এক্ষেত্রে একঅর্থে ভেস্তেই যাচ্ছে বলে সচেতনরা মনে করছেন।

উপরোল্লিখিত বিষয়গুলোর চাইতেও ভালো কোন পরিকল্পনা থাকতে পারে দায়িত্বশীলদের হাতে। তবে পরিকল্পনা যা-ই থাক বাস্তবায়ন অতি জরুরী হওয়া প্রয়োজন। সর্বস্থরে শতভাগ সংক্রমিত হওয়ার পূর্বে পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ আশাবাদী জনগণের। সময়োপযোগী কিছু করার আজকের সুযোগটুকু হারিয়ে “আর কিছুই করার নেই বক্তব্যটি আমরা প্রত্যশা করি না মনে প্রাণে।

ফাইল ছবি

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার কিছু নির্দেশনা প্রদান করেছে। নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে প্রশাসন সকল উইংস কাজ করে চলছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সেনাবাহিনী বিরামহীন টহল দিয়ে চলছে। কিন্তু একটি শ্রেণী নেহায়েত মশকরা করেই চলছে। অনকটা চোর পুলিশ খেলার মতোই। এক্ষেত্রে জীবন রক্ষার্থে কঠোরতা সময়ের দাবি। সচেতন মহলে মন্তব্য আছে লাঠির ব্যবহার অত্যন্ত জরুরী।

সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ -ময়মনসিংহের জাতীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, রেঞ্জ ডিআইজি ব্যারিস্টার মোঃ হারুন অর রশিদ,সিটি করপোরেশন মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু, জেলা প্রশাসকবৃন্দসহ মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপারবৃন্দসহ মোহাঃ আহমার উজ্জামান, র‍্যাব-১৪ অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এফতেখার উদ্দিন, বিভাগীয় ও নগর পরিকল্পনাবিদবৃন্দ।

Print Friendly, PDF & Email

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» সোহরাওয়ার্দীর যুব সমুদ্রে ময়মনসিংহ যুবলীগ

» মেঘনা গ্রুপে ডাকাতি; ৮ ডাকাত গ্রেফতার, ৪ হাজার লিটার তেল উদ্ধার ; কোতোয়ালী পুলিশের সফল অভিযান

» ময়মনসিংহে নাশকতার দায়ে জামায়াতের ১৯ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী পুলিশ

» বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট মেম্বার হলেন সাবেক ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান

» যুবলীগ চেয়ারম্যানের রোগমুক্তি কামনায় ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের দোয়া মাহফিল

» দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্মদিনে এতিমদের মাঝে ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের খাবার বিতরণ

» জিডি ও মামলায় ১২ ঘন্টার মধ্যে ঘটনাস্থলে পুলিশ- নবাগত এসপি মাছুম আহাম্মদের প্রতিশ্রুতি

» প্রিয়াংকাকে আহবায়ক করে ময়মনসিংহ মহানগর যুবমহিলা লীগের কমিটি ঘোষনা

» সুসংগঠিত সাংগঠনিক শক্তির বিকল্প নেই- ময়মনসিংহে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল

» সাংগঠনিক ব্যাক্তিত্ব নির্বাচন করে নেতৃত্বে আনা হবে-ময়মনসিংহ মহানগর ওয়ার্ড সম্মেলনে বক্তারা

» শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ময়মনসিংহ যুবলীগের বর্ণাঢ্য র‍্যালী

» নেত্রকোনায় কোটি টাকার জুয়ার আসর সেহরি করিয়ে বিদায়; পুলিশ ম্যানেজ!

» গৌরীপুরে সরকারি সম্পত্তির শত শত ট্রাক মাটি কেটে সাবাড় করছে আ’লীগ নেতার ছেলে !  

» ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মঞ্চ কাঁপালেন এলিজা

» শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মমেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ শিক্ষার্থী বহিস্কার

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com

,

basic-bank

আর কিছুই করার নেই বলার আগে কথায় নয়,কাজে কঠোর হন-ময়মনসিংহের দায়িত্বশীলরা

জনমত মন্তব্য প্রতিবেদনঃ বিল্লাল হোসেন প্রান্তঃ

ময়মনসিংহে দিনে দিনে বেড়েই চলছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমন। সবচাইতে বেশি ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাজারগুলো আর হাসপাতাল। মানুষ সবচাইতে বেশি জমায়েত হচ্ছে খাদ্য সংগ্রহ করতে আর চিকিৎসা নিতে। কেউ সংক্রমিত হলেও সে তাৎক্ষণিক জানতে পারছেনা। তাই অন্যকে সহজে সংক্রমিত করছে। এক্ষেত্রে সবার আগে বাজার নিয়ে কিছু বাস্তব সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় এখনি। বাজার স্থানান্তর করেও কোন কাজ হচ্ছে না এমন জরিপ অবশ্যই আপনাদের কাছে আছে, বোধকরি।

মানুষকে সহায়তার নামে জমায়েত এখনই কঠোরভাবে বন্ধ করা প্রয়োজন। সহায়তা সামগ্রী একমাত্র ঘরে পৌছে দেয়ার মাধ্যমে চলতে পারে। আর কোন অপশন রাখা এ মুহূর্তে আত্মঘাতি বলে মনে করছে সচেতনরা।  নগরীর মেছুয়া বাজারে চাপ কমাতে কাচাবাজারকে ব্রহ্মপুত্র পাড়ে নিয়ে গেছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন। তবে সেখানে এখনও অনেক দোকান খালি পরে আছে। ব্যবসায়ীরা বলছে এখানে বেচাকেনা কম হয়। মানুষ কম আসে। অন্যদিকে কাচাবাজার সরে আসলেও মেছুয়া বাজেরে রয়ে গেছে আগের মতই মানুষের ঢল। কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না!

দেশের বৃহত্তর একটি প্রতিষ্ঠানের জেলা সমন্বয়ক ডেইলি জনমতকে নিজের একটি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলছেন বাজার একটি দৈনন্দিন প্রয়োজনের কারণ। মানুষ বাজারে যাবেই। কিন্তু এসময় বাজার যদি মানুষের বাড়ির সামনে নেয়া যায় তবে ব্যাপক সমাগম কমানো যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রতি এলাকায় ভ্যানগাড়িতে করে বাজার পৌঁছে দেয়া যায়। বিশেষ করে প্রতি এলাকায় মাছ মাংস, সবজি, তৈজসপত্রের তিনটি আলাদা ভ্যান হতে পারে। একটি নির্দিষ্ট সময়ে ভ্যানগাড়িগুলো পন্য নিয়ে পদক্ষিন করলে যাদের বাড়ির সামনে যাবে তারা দুরত্ব বজায় রেখে পন্য সংগ্রহ করতে পারেন। এতে জটলা সৃষ্টি হওয়ার সুযোগ কম থাকবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। বিষয়টা মনিটরিং করার জন্য সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন তদারকি করতে পারেন। প্রস্তাবটি কতটা যুক্তিসংগত তা নগর পরিকল্পনাবিদরা চিন্তা করে দেখবেন।

এবার আসা যাক চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিতদের দিকে। নানা কারণে চিকিৎসা সেবা নিতে গিয়ে চিকিৎসকসহ এ পেশায় জড়িতদের সংক্রমিত হওয়ার বিষয়টি ময়মনসিংহ সম্প্রতি ব্যাপক আকার ধারন করেছে। যেহারে চিকিৎসকরা আক্রামিত হচ্ছেন এতে একটি সময় চিকিৎসক সংকটে পড়বে পুরো বিভাগ। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য সুনির্দিষ্ট শক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করা জরুরী। ডক্টরস সেফটি চেম্বার বক্স” করোনাভাইরাস বহন করে আসা কোনো রোগীর মাধ্যমে যাতে হাসপাতালের চিকিৎসক, সেবিকা এবং স্টাফ ঝুঁকির মধ্যে না পড়েন এবং রোগীরাও যাতে সুরক্ষিত থাকে সেজন্য এ চেম্বার চালু করা যেতে পারে। যা ইতিমধ্যে নড়াইল২ আসনে চালু হয়েছে। সেই সাথে তাদের পরিবারকে রক্ষা করতে চিকিৎসকদের নগরীর সব বড় হোটেলগুলোতে থাকা, খাওয়া ও যাতায়েতের ব্যবস্থা করা যেতে পারে কিনা ভেবে দেখবেন দায়িত্বশীলরা।

এবার সর্বজনীন আরেকটি ব্যবস্থা ইচ্ছে করলেই ময়মনসিংহে করা যেতে পারে। নগরীর প্রতিটি প্রবেশ পথে জীবানুনাশক স্প্রে ডোর করা যেতে পারে। যেখানে সর্বাধিক মানুষের সমাগম হচ্ছে সেখানেও এমন ডোর করা যেতে পারে। সর্বোচ্চ ২০ টি স্প্রে ডোর করলে নগরীর সব পথকে এর আওতায় আনা যাবে। যা ইতিমধ্যেই ময়মনসিংহ সেনানিবাস ও র‍্যাব-১৪ তৈরি করেছে। এব্যবস্থাটি সংক্রমন ঠেকাতে অনেক বেশি কার্যকর হবে বলে একাধিক মতপ্রকাশ রয়েছে। এব্যবস্থাগুলো জেলার প্রতিটি উপজেলায় করা যেতে পারে।

ময়মনসিংহ বিভাগে এযাবৎ করোনা আক্রান্ত ১৬১ জন, ময়মনসিংহ জেলায় ৬৬ জন। মৃত্যুবরণ করেছেন ৫ জন। সংখ্যাগুলো আপাতদৃষ্টিতে কম মনে হলেও আনুপাতিক হারে যা আতংকের পরিপূরক বলে দেশকে ঝুকিপূর্ণ বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। করোনা প্রতিরোধ করতে ময়মনসিংহের প্রশাসন জোরদার ভূমিকা রাখছে। তবে জনগণ খামখেয়ালিপনা ও বাধ্যবাদকতায় সংক্রমিত হয়েই চলছে। প্রশাসনের সকল প্রয়াস এক্ষেত্রে একঅর্থে ভেস্তেই যাচ্ছে বলে সচেতনরা মনে করছেন।

উপরোল্লিখিত বিষয়গুলোর চাইতেও ভালো কোন পরিকল্পনা থাকতে পারে দায়িত্বশীলদের হাতে। তবে পরিকল্পনা যা-ই থাক বাস্তবায়ন অতি জরুরী হওয়া প্রয়োজন। সর্বস্থরে শতভাগ সংক্রমিত হওয়ার পূর্বে পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ আশাবাদী জনগণের। সময়োপযোগী কিছু করার আজকের সুযোগটুকু হারিয়ে “আর কিছুই করার নেই বক্তব্যটি আমরা প্রত্যশা করি না মনে প্রাণে।

ফাইল ছবি

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার কিছু নির্দেশনা প্রদান করেছে। নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে প্রশাসন সকল উইংস কাজ করে চলছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সেনাবাহিনী বিরামহীন টহল দিয়ে চলছে। কিন্তু একটি শ্রেণী নেহায়েত মশকরা করেই চলছে। অনকটা চোর পুলিশ খেলার মতোই। এক্ষেত্রে জীবন রক্ষার্থে কঠোরতা সময়ের দাবি। সচেতন মহলে মন্তব্য আছে লাঠির ব্যবহার অত্যন্ত জরুরী।

সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ -ময়মনসিংহের জাতীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, রেঞ্জ ডিআইজি ব্যারিস্টার মোঃ হারুন অর রশিদ,সিটি করপোরেশন মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু, জেলা প্রশাসকবৃন্দসহ মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপারবৃন্দসহ মোহাঃ আহমার উজ্জামান, র‍্যাব-১৪ অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এফতেখার উদ্দিন, বিভাগীয় ও নগর পরিকল্পনাবিদবৃন্দ।

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com