সন্ধ্যা ৭:৩৪ | মঙ্গলবার | ৫ই মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযানে আতংকগ্রস্থ ময়মনসিংহের অনেক নেতা

বিল্লাল হোসেন প্রান্তঃ

প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযানের প্রভাব পড়েছে ময়মনসিংহেও। অভিযান আতংকে ইতিমধ্যেই গা ডাকা দিয়েছে রাজনৈতিক ছদ্মাবেশে থাকা অনেক নেতা। যারা নানা অপকর্মের সাথে জড়িত থেকে বিতর্কিত। এদের যারা দলে টেনে অপকর্মের আশ্রয় দিয়েছে তারাও এখন আতংকে রয়েছেন। পাছে তাদের কারণে দলের বদনাম বয়ে আনায় নিজের অবস্থান পরিস্কার হয়ে পড়ে।

 

 

মাদক ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী এমন অনেক অপকর্মের সাথে জড়িত ও মামলায় পরোয়ানাভুক্ত আসামি রয়েছে অনেক ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতার নাম। গ্রুপ পলিটিক্স চাঙ্গা রাখতে এদের দলে আনা হয়েছে বিএনপি জামায়াত শিবিরের মতো দল থেকেও। পেশি শক্তি বৃদ্ধি করতে এদের নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেয়া হয়েছে শোডাউন। তবে আশংকাজন হলেও সত্য যাদের নামে এমন অভিযোগ রয়েছে তাদের দলে টেনেছেন ক্ষোদ বিতর্কিতরাই। যাদের নিয়ে ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে অনুপ্রবেশকারী, পদ বানিজ্যের দূর্নীতি, মাদক বাণিজ্যের মদদদাতা হিসাবে সমালোচনা রয়েছে।

 

 

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে ক্ষমতার পালাবদলে যারা আওয়ামী লীগে এসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কাড়ি কাড়ি টাকা কামিয়েছেন, এই শুদ্ধি অভিযানে তাদের অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। সেসময় থেকে সারা দেশে যারা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে দলের মূল স্রোতের সঙ্গে মিশে গিয়েছেন তাদের একটি তালিকাও তৈরি করা হয়েছে।

 

 

জানা গেছে, দলীয় অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে গোপনে, প্রকাশ্যে অবস্থান নেয়া অনেক নেতার নামও উঠে আসছে একই প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত হিসাবে। যারা সকল সময়ই দলের নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করে নিজেদের ইচ্ছে ও স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে মরিয়া। ঠিক তাদের নামেই উঠছে দলীয় ক্যাডার তৈরি, মাদক বাণিজ্যে মদদদাতা, দলীয় আদর্শবান নেতাদের ঘায়েল করতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রমে লিপ্ত থাকার অভিযোগে।

 

 

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচ টি ইমাম বলেন, আমরা তো এ পর্যন্ত যাদের দেখছি এরা সবাই অনুপ্রবেশকারী। আপনারা জানেন আমাদের দলের মধ্যেই দীর্ঘদিন ধরে দাবি উঠছিল যে এই অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের ভয়ানক ক্ষতি করছে। তাদেরকে এখন আমরা চিহ্নিত করেছি। চিহ্নিত করে দেখা যাচ্ছে তাদের সবাই একসময় হয় ছাত্রদল, যুবদল করত, না হলে বিএনপি করত, না হলে জামায়াত শিবিরের সদস্য। এখানে আমাদের নীতি খুব পরিষ্কার। আমরা পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমরা দলকে পরিচ্ছন্ন করতে চাই।

 

 

“আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দল এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর দুর্নীতিবাজ নেতাদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে সাধারণ জনগণের দল ও সরকারের প্রতি আস্থা বেড়েছে। সাধারণ মানুষ এতে খুশি। এ জন্য আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের আগ পর্যন্ত এই অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে আওয়ামী লীগের এই নেতারা। এই কঠোর অবস্থানের পর বেশ কিছু পদক্ষেপের কারণে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেই মনে করছেন, শুধু কেন্দ্রের মধ্যেই এই অভিযান সীমাবদ্ধ থাকবে না। দলের ভাবমূর্তি উদ্ধারে সারা দেশের তৃণমূলেও এই শুদ্ধি অভিযান চালানো হবে।

 

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবলীগ নেতা বলেন, সত্যিই ঢাকার মতো সারা দেশে এমন অভিযান হলে দলটা ফিরে পাবে তার ঐহিহাতিক রূপ। যেটি দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার ফলে অনেকাংশে মলিন হওয়ার পথে চলছিলো। সাধারণ মানুষ আজ জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সাধুবাদ জানাচ্ছে। শুধুমাত্র জননেত্রীর ইমেজেই দলটা আজও মানুষের কাছে সম্মানিত, আশান্বিত। কারণ দলের বিতরে যে পরিমানে আগাছা পরগাছা, অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে তা পরিস্কার করার ক্ষমতা শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীই রাখেন। আর তিনি সেটি শুরু করে দিয়েছেন।

 

 

তিনি বলেন, অন্য যে কাউকেই নেত্রী এ দায়িত্ব দিবেন বা দিয়েছেন তারা এটিকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে নিবেদিতপ্রাণ, আদর্শবান নেতাকর্মীরা। কারণ অনুপ্রবেশকারীরা টাকার পাহাড় বানাতে দলে আসে রাজনৈতিক ব্যবসা করতে। তাদের কাছে নিবেদিত নেতারাও কর্মী বনে যায়। মৃত্যু হয় আদর্শের। অপ্রিয় হলেও সত্য ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগের অনেক নেতার কারনে যুবলীগ ইমেজ ক্রাইসিসে পড়েছে। যুবলীগ ব্যবহৃত হচ্ছে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী কিছু নেতার মাধ্যমে।

 

 

শুদ্ধি অভিযান, অপরদিকে সম্মেলনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। নেতারা বলছেন, দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দল, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে থাকা দুর্নীতিবাজ নেতাদের বিষয়ে যে কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন তা অব্যাহত থাকবে। অপরদিকে আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের নির্ধারিত দলের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করবে দলটি। আগামী জাতীয় সম্মেলনের আগ পর্যন্ত সারা দেশে দলের মধ্যে শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিএনপি-জামায়াত থেকে অনুপ্রবেশ করে যারা টাকার পাহাড় গড়েছেন চলমান শুদ্ধি অভিযানে এমন নেতাদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

Print Friendly, PDF & Email

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» আগামীকাল ময়মনসিংহ মেতে উঠবে স্বাধীনতা কনসার্টে

» ভাষা শহীদদের প্রতি সংসদ সদস্য মোহিত উর রহমান শান্তর শ্রদ্ধাঞ্জলী

» ১৪৭ বেকার তরুণ তরুণীকে চাকুরির প্রস্তুতি কর্মশালা করালেন এমপি মোহিত উর রহমান শান্ত

» হালুয়াঘাট-ধোবাউড়ায় ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি ; কৃষি সেচে গুরুত্ব এমপির

» ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আবু সাঈদ

» সংবর্ধনা বাতিল করে শীতার্তদের মাঝে এমপি মোহিত উর রহমানের কম্বল বিতরণ

» ব্রহ্মপুত্রে নৌকায় চড়ে অনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করলেন মোহিত উর রহমান শান্ত

» ময়মনসিংহে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে উল্লাসভরে ফুলেল শুভেচ্ছায় সমাবেশ

» লেঃ কর্ণেল (অবঃ)নজরুল ইসলামের হস্তক্ষেপে দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধের অবসান

» ময়মনসিংহ-৪ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোহিত উর রহমান শান্ত

» আবারও জাপাকে দিলে জনগনের আস্থা হারাবে আওয়ামী লীগ

» ময়মনসিংহ-৪ আসনে মনোনয়ন কিনেছেন মহানগর সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত

» জনসভায় জনসমুদ্র ; সদরের প্রত্যাশা মোহিত উর রহমান শান্ত

» সংবিধান মেনে নির্বাচনে আসেন, আমরাও আসবো-বিএনপিকে মোহিত উর রহমান শান্ত

» প্রতীকী অটোরিকশা চালিয়ে অবরোধের বিরুদ্ধে মোহিত উর রহমান শান্তর প্রতিবাদ

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com

,

basic-bank

প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযানে আতংকগ্রস্থ ময়মনসিংহের অনেক নেতা

বিল্লাল হোসেন প্রান্তঃ

প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযানের প্রভাব পড়েছে ময়মনসিংহেও। অভিযান আতংকে ইতিমধ্যেই গা ডাকা দিয়েছে রাজনৈতিক ছদ্মাবেশে থাকা অনেক নেতা। যারা নানা অপকর্মের সাথে জড়িত থেকে বিতর্কিত। এদের যারা দলে টেনে অপকর্মের আশ্রয় দিয়েছে তারাও এখন আতংকে রয়েছেন। পাছে তাদের কারণে দলের বদনাম বয়ে আনায় নিজের অবস্থান পরিস্কার হয়ে পড়ে।

 

 

মাদক ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী এমন অনেক অপকর্মের সাথে জড়িত ও মামলায় পরোয়ানাভুক্ত আসামি রয়েছে অনেক ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতার নাম। গ্রুপ পলিটিক্স চাঙ্গা রাখতে এদের দলে আনা হয়েছে বিএনপি জামায়াত শিবিরের মতো দল থেকেও। পেশি শক্তি বৃদ্ধি করতে এদের নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেয়া হয়েছে শোডাউন। তবে আশংকাজন হলেও সত্য যাদের নামে এমন অভিযোগ রয়েছে তাদের দলে টেনেছেন ক্ষোদ বিতর্কিতরাই। যাদের নিয়ে ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে অনুপ্রবেশকারী, পদ বানিজ্যের দূর্নীতি, মাদক বাণিজ্যের মদদদাতা হিসাবে সমালোচনা রয়েছে।

 

 

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে ক্ষমতার পালাবদলে যারা আওয়ামী লীগে এসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কাড়ি কাড়ি টাকা কামিয়েছেন, এই শুদ্ধি অভিযানে তাদের অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। সেসময় থেকে সারা দেশে যারা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে দলের মূল স্রোতের সঙ্গে মিশে গিয়েছেন তাদের একটি তালিকাও তৈরি করা হয়েছে।

 

 

জানা গেছে, দলীয় অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে গোপনে, প্রকাশ্যে অবস্থান নেয়া অনেক নেতার নামও উঠে আসছে একই প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত হিসাবে। যারা সকল সময়ই দলের নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করে নিজেদের ইচ্ছে ও স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে মরিয়া। ঠিক তাদের নামেই উঠছে দলীয় ক্যাডার তৈরি, মাদক বাণিজ্যে মদদদাতা, দলীয় আদর্শবান নেতাদের ঘায়েল করতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রমে লিপ্ত থাকার অভিযোগে।

 

 

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচ টি ইমাম বলেন, আমরা তো এ পর্যন্ত যাদের দেখছি এরা সবাই অনুপ্রবেশকারী। আপনারা জানেন আমাদের দলের মধ্যেই দীর্ঘদিন ধরে দাবি উঠছিল যে এই অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের ভয়ানক ক্ষতি করছে। তাদেরকে এখন আমরা চিহ্নিত করেছি। চিহ্নিত করে দেখা যাচ্ছে তাদের সবাই একসময় হয় ছাত্রদল, যুবদল করত, না হলে বিএনপি করত, না হলে জামায়াত শিবিরের সদস্য। এখানে আমাদের নীতি খুব পরিষ্কার। আমরা পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমরা দলকে পরিচ্ছন্ন করতে চাই।

 

 

“আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দল এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর দুর্নীতিবাজ নেতাদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে সাধারণ জনগণের দল ও সরকারের প্রতি আস্থা বেড়েছে। সাধারণ মানুষ এতে খুশি। এ জন্য আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের আগ পর্যন্ত এই অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে আওয়ামী লীগের এই নেতারা। এই কঠোর অবস্থানের পর বেশ কিছু পদক্ষেপের কারণে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেই মনে করছেন, শুধু কেন্দ্রের মধ্যেই এই অভিযান সীমাবদ্ধ থাকবে না। দলের ভাবমূর্তি উদ্ধারে সারা দেশের তৃণমূলেও এই শুদ্ধি অভিযান চালানো হবে।

 

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবলীগ নেতা বলেন, সত্যিই ঢাকার মতো সারা দেশে এমন অভিযান হলে দলটা ফিরে পাবে তার ঐহিহাতিক রূপ। যেটি দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার ফলে অনেকাংশে মলিন হওয়ার পথে চলছিলো। সাধারণ মানুষ আজ জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সাধুবাদ জানাচ্ছে। শুধুমাত্র জননেত্রীর ইমেজেই দলটা আজও মানুষের কাছে সম্মানিত, আশান্বিত। কারণ দলের বিতরে যে পরিমানে আগাছা পরগাছা, অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে তা পরিস্কার করার ক্ষমতা শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীই রাখেন। আর তিনি সেটি শুরু করে দিয়েছেন।

 

 

তিনি বলেন, অন্য যে কাউকেই নেত্রী এ দায়িত্ব দিবেন বা দিয়েছেন তারা এটিকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে নিবেদিতপ্রাণ, আদর্শবান নেতাকর্মীরা। কারণ অনুপ্রবেশকারীরা টাকার পাহাড় বানাতে দলে আসে রাজনৈতিক ব্যবসা করতে। তাদের কাছে নিবেদিত নেতারাও কর্মী বনে যায়। মৃত্যু হয় আদর্শের। অপ্রিয় হলেও সত্য ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগের অনেক নেতার কারনে যুবলীগ ইমেজ ক্রাইসিসে পড়েছে। যুবলীগ ব্যবহৃত হচ্ছে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী কিছু নেতার মাধ্যমে।

 

 

শুদ্ধি অভিযান, অপরদিকে সম্মেলনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। নেতারা বলছেন, দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দল, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে থাকা দুর্নীতিবাজ নেতাদের বিষয়ে যে কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন তা অব্যাহত থাকবে। অপরদিকে আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের নির্ধারিত দলের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করবে দলটি। আগামী জাতীয় সম্মেলনের আগ পর্যন্ত সারা দেশে দলের মধ্যে শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিএনপি-জামায়াত থেকে অনুপ্রবেশ করে যারা টাকার পাহাড় গড়েছেন চলমান শুদ্ধি অভিযানে এমন নেতাদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com