সকাল ৮:৪২ | রবিবার | ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

প্রিন্সেস ডায়ানার ‘হারানো মেয়ে’

জনমত ডেস্ক: ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন প্রিন্সেস ডায়ানা। আর ঠিক সেই সময়টায় নিজের ঘরে বসে কাঁদছিল নয় বছরের অবন্তী রেড্ডি। ডায়ানার মৃত্যুতে তাঁর কাছের মানুষেরা যতটা কষ্ট পেয়েছিলেন, ঠিক ততটাই ভেঙে পড়েছিল অবন্তী। ডায়ানার সঙ্গে যে তাঁর ছিল ‘মা-মেয়ের’ সম্পর্ক!

ইয়াহু নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ১৯৯২ সালে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে ভারত সফরে গিয়েছিলেন প্রিন্সেস ডায়ানা। সফরের একপর্যায়ে হায়দরাবাদে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেই সময়ই ডায়ানার সঙ্গে দেখা হয় ছোট্ট অবন্তীর। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র চার বছর। প্রিন্সেসের সম্মানে ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে নেচেছিল সে। নাচ শেষে তাঁর জায়গা হয়েছিল ডায়ানার কোলে। তখন অবন্তীকে ‘মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেছিলেন ডায়ানা।

সম্প্রতি শৈশবের সেই স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন অবন্তী রেড্ডি। ২৮ বছরের অবন্তী এখন স্কুলশিক্ষক। তিনি বলেন, ‘আমার বয়স সবচেয়ে কম ছিল। ডায়ানা আমাকে মাঠে বসে থাকতে দেখেছিলেন। এরপর তিনি আমাকে কোলে তুলে নিয়ে মঞ্চে ওঠেন। আমাকে হাঁটুর ওপর বসিয়েছিলেন তিনি।’

তখন বেশ কথাও হয়েছিল অবন্তী ও ডায়ানার। অবন্তী বলেন, ‘আমার খুব সর্দি হয়েছিল। তিনি নিজের রুমাল দিয়ে আমার নাক মুছে দিয়েছিলেন। সারাক্ষণ তিনি আমাকে সঙ্গে সঙ্গে রেখেছিলেন। যখন তাঁর যাওয়ার সময় হয়েছিল, তখন ডায়ানা বলেছিলেন, আমি তোমাকে ছেড়ে যেতে চাই না। আমার কোনো মেয়ে নেই, তাই আজ থেকে তুমি আমার মেয়ে।’

ভারত থেকে চলে যাওয়ার পরও ‘মেয়েকে’ নিয়মিত চিঠি লিখতেন ডায়ানা। মা-মেয়ের কথা হতো এভাবেই। প্রথম দেখার পাঁচ বছর পর আবার পুনর্মিলন হওয়ার কথা ছিল এ দুজনার। কিন্তু মৃত্যু তা হতে দেয়নি।

অবন্তী বলেন, ‘দ্বিতীয়বার তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার আশায় আমি শিহরিত ছিলাম। ইউরোপের বেশ কয়েকটি স্কুলে অনুষ্ঠান করেছিলাম আমরা। সফরের শেষের দিকে তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা ছিল আমাদের। কিন্তু সেটি আর কখনো হয়নি।’

ডায়ানার লাবণ্য ও উদারতায় এখনো মুগ্ধ অবন্তী। তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি বুঝতে শুরু করেছি যে প্রিন্সেস ডায়ানা কে ছিলেন।’

Print Friendly, PDF & Email

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» দুঃসময়ের ত্যাগী নেতৃত্বের হাতেই থাকবে আগামী আওয়ামী লীগ- ময়মনসিংহে বাহাউদ্দিন নাছিম

» শেখ রেহেনার জন্মদিনে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া

» বাহাউদ্দিন নাসিম এর আগমন উপলক্ষে  ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

» কথা ক্লিয়ার-শিক্ষিত,ক্লিন ইমেজ যুবকদের জন্য অবারিত যুবলীগ- কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খসরু

» ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

» ময়মনসিংহ মহানগরী জু্ড়ে শোক আয়োজনে মোহিত উর রহমান শান্ত

» শোক দিবসে যুবলীগনেতা সব্যসাচীর উদ্যেগে অসহায়দের মাঝে বস্ত্র বিতরণ ও গণভোজ

» ১৫ আগস্ট পালন উপলক্ষে ময়মনসিংহ মহানগর সাধারণ সম্পাদকের মতবিনিময় সভা

» ময়মনসিংহে মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে মাসব্যাপী রেশনিং সিস্টেমে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

» শর্ত সাপেক্ষে খুলে দেয়া হয়েছে জেলা স্কুল মোড়ের সেই ত্রুটিপূর্ণ ১৪ তলা ভবন

» সংসার ফিরে পেতে চায় ময়মনসিংহের ডাক্তার জান্নাতুল   

» নগর জুড়ে ময়মনসিংহ মহানগর সাধারণ সম্পাদকের ইফতার বিতরণ

» প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রাপ্যদের হাতে তুলে দিচ্ছেন ময়মনসিংহের ডিসি এনামুল হক

» ময়মনসিংহে অসহায় কৃষকের ধান কেটে ঘরে পৌছে দিলো ছাত্রলীগ নেতা টুটুল

» ময়মনসিংহ টিসিএ’র সভাপতি নুরুজ্জামান সম্পাদক দেলোয়ার 

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com

,

basic-bank

প্রিন্সেস ডায়ানার ‘হারানো মেয়ে’

জনমত ডেস্ক: ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন প্রিন্সেস ডায়ানা। আর ঠিক সেই সময়টায় নিজের ঘরে বসে কাঁদছিল নয় বছরের অবন্তী রেড্ডি। ডায়ানার মৃত্যুতে তাঁর কাছের মানুষেরা যতটা কষ্ট পেয়েছিলেন, ঠিক ততটাই ভেঙে পড়েছিল অবন্তী। ডায়ানার সঙ্গে যে তাঁর ছিল ‘মা-মেয়ের’ সম্পর্ক!

ইয়াহু নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ১৯৯২ সালে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে ভারত সফরে গিয়েছিলেন প্রিন্সেস ডায়ানা। সফরের একপর্যায়ে হায়দরাবাদে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেই সময়ই ডায়ানার সঙ্গে দেখা হয় ছোট্ট অবন্তীর। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র চার বছর। প্রিন্সেসের সম্মানে ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে নেচেছিল সে। নাচ শেষে তাঁর জায়গা হয়েছিল ডায়ানার কোলে। তখন অবন্তীকে ‘মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেছিলেন ডায়ানা।

সম্প্রতি শৈশবের সেই স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন অবন্তী রেড্ডি। ২৮ বছরের অবন্তী এখন স্কুলশিক্ষক। তিনি বলেন, ‘আমার বয়স সবচেয়ে কম ছিল। ডায়ানা আমাকে মাঠে বসে থাকতে দেখেছিলেন। এরপর তিনি আমাকে কোলে তুলে নিয়ে মঞ্চে ওঠেন। আমাকে হাঁটুর ওপর বসিয়েছিলেন তিনি।’

তখন বেশ কথাও হয়েছিল অবন্তী ও ডায়ানার। অবন্তী বলেন, ‘আমার খুব সর্দি হয়েছিল। তিনি নিজের রুমাল দিয়ে আমার নাক মুছে দিয়েছিলেন। সারাক্ষণ তিনি আমাকে সঙ্গে সঙ্গে রেখেছিলেন। যখন তাঁর যাওয়ার সময় হয়েছিল, তখন ডায়ানা বলেছিলেন, আমি তোমাকে ছেড়ে যেতে চাই না। আমার কোনো মেয়ে নেই, তাই আজ থেকে তুমি আমার মেয়ে।’

ভারত থেকে চলে যাওয়ার পরও ‘মেয়েকে’ নিয়মিত চিঠি লিখতেন ডায়ানা। মা-মেয়ের কথা হতো এভাবেই। প্রথম দেখার পাঁচ বছর পর আবার পুনর্মিলন হওয়ার কথা ছিল এ দুজনার। কিন্তু মৃত্যু তা হতে দেয়নি।

অবন্তী বলেন, ‘দ্বিতীয়বার তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার আশায় আমি শিহরিত ছিলাম। ইউরোপের বেশ কয়েকটি স্কুলে অনুষ্ঠান করেছিলাম আমরা। সফরের শেষের দিকে তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা ছিল আমাদের। কিন্তু সেটি আর কখনো হয়নি।’

ডায়ানার লাবণ্য ও উদারতায় এখনো মুগ্ধ অবন্তী। তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি বুঝতে শুরু করেছি যে প্রিন্সেস ডায়ানা কে ছিলেন।’

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com