রাত ১০:২৮ | রবিবার | ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনা ছাড়া আর কারও উপর আস্থা রাখার দরকার নাই-মোহিত উর রহমান শান্ত

বিল্লাল হোসেন প্রান্তঃ

শেখ হাসিনা ছাড়া আর কারো উপর আস্থা রাখার দরকার নাই। শেখ হাসিনা ছাড়া আওয়ামী লীগের কিছু নাই। মানুষের তার ওপর আস্থা ভালোবাসা ছাড়া আওয়ামী লীগের কিছু নাই। আমরা যারা তাঁর নেতাকর্মী আমরা তার আলোয় আলোকিত বলেছেন মময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত।

 

 

৪ মার্চ সন্ধ্যায় চর গোবরিয়া উত্তরপাড়া ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগ ৩৩ নং ওয়ার্ড আয়োজিত ৭ ই মার্চ ভাষণের উপর আলোচনা ও নাট্যানুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহিত উর রহমান শান্ত এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম সরকারের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যাপক গোলাম ফেরদৌস জিল্লু, মহানগর আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবু, জেলা যুবলীগ যুগ্ন আহবায়ক আখেরুল ইমাম সোহাগ, সিরতা ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হাসান সরকার, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোফাখখর খোকন, সদর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি শাহজাহান সরকার, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ইমরান, মহানগর আওয়ামী লীগ সদস্য সোহাগ, ছাত্রলীগ নেতা পাভেল প্রমূখ।

 

 

৭ ই মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ, বাংলাদেশ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র উল্লেখ্য করে শান্ত বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চ ভাষণের শেষ দুটি লাইন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। “এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”। সেই থেকে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের পরিচয় বহন করে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শান্ত অনুষ্ঠান আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি ধন্যবাদ জানান বিগত জামায়াত বিএনপি শাসনামলে অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের নেতৃত্বে তার ভাই আকুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আফাজ উদ্দিন সরকারের সাথে কাজ করা হাসান সরকারকে। ধন্যবাদ জানান হাসান সরকার কে এই অনুষ্ঠান আয়োজনে সহায়তা করার জন্য ছাত্রনেতা পাভেলকে ।

 

 

মোহিত উর রহমান শান্ত বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের জন্য মৌলিক চাহিদার প্রাপ্তি নিশ্চিত করেছেন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের জন্য কি করেছেন আমাদের গ্রামের মানুষের জন্য কি করেছেন তা বিগত ১৩ বছর আগের সময়ের সাথে তুলনা করলেই বোঝা যায়। বাসস্থান, শিক্ষা, খাদ্য, কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস সড়ক যোগাযোগ, রেলপথ যোগাযোগ এসব মৌলিক চাহিদাগুলো তিনি সবচাইতে বেশী প্রাধান্য দিয়েছে।

তিনি বলেন, আজ থেকে ১৩ বছর আগে গ্রাম গঞ্জের অনেক মানুষ ছাদহীন গৃহহীন ছিল। এই ১৩ বছরে লক্ষ লক্ষ আশ্রয়হীন মানুষকে ছাদের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। আজ থেকে ১৩ বছর আগে বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের মানুষ অনাহারে কিংবা অর্ধাহারে জীবন কাটাতো। জননেত্রী শেখ হাসিনা সেই মানুষগুলো কে খাদ্যের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। কিভাবে করেছেন অনুর্বর জমির জন্য স্যার সেচের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যে উত্তর অঞ্চলকে একসময় মঙ্গার দেশ বলা হতো, সে এলাকায় এখন সুজলা সুফলা। বাংলার মানুষ এখন না খেয়ে থাকে না।

 

 

শান্ত বলেন, আমার বাবা অধ্যক্ষ মতিউর রহমান কুপি বাতি দিয়ে অথবা ল্যাম্পপোস্টের আলোয় পড়ালেখা করে মাস্টার্স পাস করেছেন। তার সন্তান আমি বিদ্যুতের নিচে পড়ালেখা করে বড় হয়েছি। আমি বড় হতে হতে দেখেছি আমার বাবা তার নামের পাশে বড় বড় পদ অলংকৃত করেছেন। তিনি চেয়ারম্যান হয়েছেন, এমপি হয়েছেন, মন্ত্রী হয়েছেন। সেই মানুষের ঘরে বিদ্যুতের আলো থাকবে এটা স্বাভাবিক। তবে আজকে গ্রাম থেকে শহরে কোথাও কি বিদ্যুতের সমস্যা আছে? নাই। ১৩ বছর আগে সম্পদশালীরা ও অনেকটা সময় বিদ্যুৎ পেত না। ইনশাআল্লাহ শেখ হাসিনা ১৩ বছরের বিদ্যুতের এমন ব্যবস্থা করেছেন আমর পাশে আজ হাজার হাজার বাতি জ্বলছে। এখন কেউ বিদ্যুৎ ছাড়া থাকে না। এটি শেখ হাসিনার অবদান। ১৩ বছর আগের কথা চিন্তা করুন আর আজকের অবস্থা দেখুন।

 

 

শান্ত বলেন,মানুষের আর একটি মৌলিক চাহিদা শিক্ষা। শিক্ষিত জাতি পারে দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে। শেখ হাসিনা সেই ব্যবস্থাও করেছেন। আজকে আমাদের সন্তানরা অবৈতনিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে পড়ালেখা করতে পারছে। বাংলার প্রতিটি অঞ্চলে প্রতিটি এলাকায় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা করে দিয়েছেন। যেখান থেকে শিক্ষিত হয়ে আপনার আমার সন্তানরা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বড় বড় ফার্মে চাকরী করছে। এভাবে দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ১৩ বছর আগের বাংলাদেশকে আজকের সাথে মিলিয়ে দেখুন। আমি শেখ হাসিনার কর্মী আমি শেখ হাসিনার গুনকীর্তন করতেই পারি। আপনারা যারা সাধারণ মানুষ আছেন আপনাদের উপহার ভার দিলাম ১৩ বছর আগের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ এই পার্থক্য যদি ধরতে পারেন তবে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আপনাদের আস্থা রাখতে হবে।

 

 

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার জন্য আপনাদের আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে হবে। এই মানুষটাকে আল্লাহ আমাদের হায়াত দিয়ে বাঁচিয়ে রাখুক। কারণ শেখ হাসিনা বেঁচে থাকলে সুন্দর বাংলাদেশের ছবি আপনাদের সামনে থাকবে। হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকলে আজকের এই উজ্জ্বল বাংলাদেশ থাকবে। আল্লাহ না করুক যেদিন শেখ হাসিনা বাংলার মসনদে থাকবে না সেদিন বাংলা হবে ১৩ বছর আগের বাংলাদেশ, বাংলা ভাইয়ের বাংলাদেশ। মনে করে দেখেন গত বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমল। আপনাদের পাশে যদি কোন একটি বস্তা পড়ে থাকত তাহলে আমরা আপনারা সবাই ভয় পেতাম। এটাতে বোম রাখা আছে কিনা, আমরা সেই রাত রাস্তা ছেড়ে দিতাম।

 

 

তিনি বলেন,১৩ বছর আগে বা তারও আগে বিএনপি-জামায়াত জোটের ক্ষমতায় শ্বেতসার চাইতে গিয়ে বাংলার কৃষক ভাইদের গুলি খেতে হয়েছিল। সেই বাংলাদেশকে আজকে শেখ হাসিনা এই বাংলাদেশে নিয়ে এসেছেন। আজকে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে সম্মানের সাথে দেখা হয়। বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ আজ এমন একটি প্রভাববলয় করেছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ মায়ানমারের কাছ থেকে নিজেদের সমুদ্রসীমানা ছিনিয়ে নিয়ে এসেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রভাব বলয়ে এটি সম্ভব হয়েছে।

 

 

তিনি বলেন শেখ হাসিনার কর্মী হিসেবে তার গুণগান গানা যদি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব হয়। তবে আজকে এখানে উপস্থিত মা-বোনদেরও নৈতিক দায়িত্ব তার গুণগান গাওয়া। পার্থক্য ১৩ বছরের দিকে তাকালেই তা করা যায়। কোন সময় আপনারা ভালো আছেন। তাই আপনাদের কাছে মিনতি করে যাই। শেখ হাসিনার সকল সময়ে আপনারা তার পাশে থাকবেন।

 

 

শান্ত বলেন, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোটের আমলে ছাত্রদল যুবদলের অন্যায় অত্যাচার জুলুমের শিকার হয়েছে। পুলিশের নির্মম নির্যাতনের আজও খুঁজলে পিঠে দাগ খুঁজে পাবেন। এখানে সেসময়কার যেসব কর্মীরা আছেন তাদের পিঠ খুঁজলেও সেই মারের দাগ পাবেন। যেদিন ক্ষমতায় এসেছি ২০০৮ সালে আমার বাবা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ময়মনসিংহ সদর ৪ আসনের এমপি হয়েছেন। যেদিন সকল অত্যাচার এর শোধ নেওয়ার সময় এসেছে সেদিন শেখ হাসিনার মোবাইল থেকে সকল আওয়ামী লীগ নেতাদের মোবাইলে কল এসেছে।

 

 

তিনি বলেন, আমার বাবা অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের মোবাইলেও তেমনি কল এসেছে। শেখ হাসিনার নির্দেশ এসেছে আপনি কোন বিজয় মিছিল করবেন না। কারণ মিছিল থেকে বিএনপি ছাত্রদল-যুবদলের নেতাকর্মীদের বাড়িতে আওয়ামী লীগ কর্মীরা হামলা করতে পারে। সেদিন শেখ হাসিনার নির্দেশে সব ভুলে যেতে হয়েছিল। কারণ সেই শোধ নিতে গেলে রক্তাক্ত হতো বাংলাদেশ।

 

 

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ছাড়া আর কারো উপর আস্থা রাখার দরকার নাই। শেখ হাসিনা ছাড়া আওয়ামী লীগের কিছু নাই। মানুষের তার ওপর আস্থা ভালোবাসা ছাড়া আওয়ামী লীগের কিছু নাই। আমরা যারা তাঁর নেতাকর্মী আমরা তার আলোয় আলোকিত। শেখ হাসিনার আলো যদি নিভে যায়। সেদিন আমাদের কারো কিছু করার থাকবেনা। বাংলাদেশের আলো নিভে যাবে।

 

 

শান্ত বলেন, শেষ করার আগে একটি কথা বলি বক্তারা সবাই সেই কথা এখানে তুলেছেন। আমিনুল হক শামীম সাহেব একজন ব্যবসায়ী মানুষ সদ্য আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তিনি এই ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নে, আমার বাবার হাত ধরে যারা নেতা হয়েছিল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক মন্ডল, যাকে আমি নেতা বানিয়েছিলাম এই জুটমিলের সভাপতি বানিয়েছিলাম ওসমান চাচা, তাদের সামনে রেখে উনি কিছু কথা বলে গেছেন।

তিনি বলেন, আমি মোহিত উর রহমান শান্ত আমার রাজনৈতির বয়স ২৮ বছর। আমি স্বৈরাচার বিরোধী এরশাদ আমলে জিল্লু ভাই বাবু ভাইদের মিছিলের সামনে, পেছনে পেছনে ছোট্ট ছেলে রাজনীতি করেছি। আমি যদি বলতে চাই তাহলে তো তিনি অনেক সম্মানিত হয়ে যাবেন। কারণ আমি মানুষ হিসেবে না, আমি একজন আওয়ামী লীগার হিসেবে বঙ্গবন্ধুর কর্মী হিসেবে, জননেত্রী শেখ হাসিনার কর্মী হিসেবে আমি তার চাইতে অনেক বেশি সমৃদ্ধ। এখানে আমার অনেক নেতা-কর্মী আছেন আমার সবচাইতে কনিষ্ঠকর্মীর রাজনৈতিক বয়স ১০ থেকে ১২ বছরের নিচে না।

 

 

তিনি আমিনুল হক শামীম সাহেবকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনাকে আওয়ামী লীগার হতে হলে আরো কয়েকটি বছর আওয়ামী লীগ করতে হবে। কারণ বিগত আমলে যখন আপনি বিএনপি করেছেন, সাবেক ছাত্র দলের নেতা ছিলেন এই গন্ধ মুছতে মুছতে আপনার অনেক দিন চলে যাবে। এরপর যদি রাজনীতি ছেড়ে দেই, আল্লাহ আপনাকে বাঁচিয়ে রাখুক অনেক বছর, আমরা সবাই রাজনীতি ছেড়ে দিলেও যতদিন বাঁচবো, ততদিন আপনি জয়বাংলা বলতে বলতে আমাদের সমকক্ষ হতে পারবেন না।

 

 

তিনি বলেন, আরেকটি কথা। “আপনি যে কথাগুলো তুলেছেন, আমাকে নিয়ে যে কথাগুলোর অবতারণ করেছেন”। “যেই জায়গায় করেছেন, যাদেরকে নিয়ে করেছেন, তাদের আঙ্গীনায় এই চরাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষকে সাথে নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি একটি জনসভা করবো”। “সেই জনসভায় আমি আপনার সম্বন্ধে খালি তিনটি কথা বলবো, এরপর দিন যদি আপনি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে ময়মনসিংহে মুখ দেখাতে পারেন তাহলে আমি মোহিত উর রহমান শান্ত ময়মনসিংহ ছেড়ে দিবো”।

 

 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগ সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক রাসেল পাঠান, ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সরকার মোহাম্মদ সব্যসাচী, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফয়জুর রাজ্জাক ঊষাণ, জেলা যুবলীগ সদস্য পিন্টু সরকার, সেলিম উদ্দিন, এবিএম আক্তারুজ্জামান রবিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ যুগ্মসাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ পান্না, যুবলীগ নেতা রাফিউল রাজ্জাক বাদশা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা ফয়জুর রহমান মারুফ, আবুল হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা প্রিয়ম প্রমূখ।

Print Friendly, PDF & Email

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» দুঃসময়ের ত্যাগী নেতৃত্বের হাতেই থাকবে আগামী আওয়ামী লীগ- ময়মনসিংহে বাহাউদ্দিন নাছিম

» শেখ রেহেনার জন্মদিনে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া

» বাহাউদ্দিন নাসিম এর আগমন উপলক্ষে  ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

» কথা ক্লিয়ার-শিক্ষিত,ক্লিন ইমেজ যুবকদের জন্য অবারিত যুবলীগ- কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খসরু

» ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

» ময়মনসিংহ মহানগরী জু্ড়ে শোক আয়োজনে মোহিত উর রহমান শান্ত

» শোক দিবসে যুবলীগনেতা সব্যসাচীর উদ্যেগে অসহায়দের মাঝে বস্ত্র বিতরণ ও গণভোজ

» ১৫ আগস্ট পালন উপলক্ষে ময়মনসিংহ মহানগর সাধারণ সম্পাদকের মতবিনিময় সভা

» ময়মনসিংহে মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে মাসব্যাপী রেশনিং সিস্টেমে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

» শর্ত সাপেক্ষে খুলে দেয়া হয়েছে জেলা স্কুল মোড়ের সেই ত্রুটিপূর্ণ ১৪ তলা ভবন

» সংসার ফিরে পেতে চায় ময়মনসিংহের ডাক্তার জান্নাতুল   

» নগর জুড়ে ময়মনসিংহ মহানগর সাধারণ সম্পাদকের ইফতার বিতরণ

» প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রাপ্যদের হাতে তুলে দিচ্ছেন ময়মনসিংহের ডিসি এনামুল হক

» ময়মনসিংহে অসহায় কৃষকের ধান কেটে ঘরে পৌছে দিলো ছাত্রলীগ নেতা টুটুল

» ময়মনসিংহ টিসিএ’র সভাপতি নুরুজ্জামান সম্পাদক দেলোয়ার 

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com

,

basic-bank

শেখ হাসিনা ছাড়া আর কারও উপর আস্থা রাখার দরকার নাই-মোহিত উর রহমান শান্ত

বিল্লাল হোসেন প্রান্তঃ

শেখ হাসিনা ছাড়া আর কারো উপর আস্থা রাখার দরকার নাই। শেখ হাসিনা ছাড়া আওয়ামী লীগের কিছু নাই। মানুষের তার ওপর আস্থা ভালোবাসা ছাড়া আওয়ামী লীগের কিছু নাই। আমরা যারা তাঁর নেতাকর্মী আমরা তার আলোয় আলোকিত বলেছেন মময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত।

 

 

৪ মার্চ সন্ধ্যায় চর গোবরিয়া উত্তরপাড়া ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগ ৩৩ নং ওয়ার্ড আয়োজিত ৭ ই মার্চ ভাষণের উপর আলোচনা ও নাট্যানুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহিত উর রহমান শান্ত এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম সরকারের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যাপক গোলাম ফেরদৌস জিল্লু, মহানগর আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবু, জেলা যুবলীগ যুগ্ন আহবায়ক আখেরুল ইমাম সোহাগ, সিরতা ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হাসান সরকার, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোফাখখর খোকন, সদর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি শাহজাহান সরকার, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ইমরান, মহানগর আওয়ামী লীগ সদস্য সোহাগ, ছাত্রলীগ নেতা পাভেল প্রমূখ।

 

 

৭ ই মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ, বাংলাদেশ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র উল্লেখ্য করে শান্ত বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চ ভাষণের শেষ দুটি লাইন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। “এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”। সেই থেকে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের পরিচয় বহন করে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শান্ত অনুষ্ঠান আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি ধন্যবাদ জানান বিগত জামায়াত বিএনপি শাসনামলে অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের নেতৃত্বে তার ভাই আকুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আফাজ উদ্দিন সরকারের সাথে কাজ করা হাসান সরকারকে। ধন্যবাদ জানান হাসান সরকার কে এই অনুষ্ঠান আয়োজনে সহায়তা করার জন্য ছাত্রনেতা পাভেলকে ।

 

 

মোহিত উর রহমান শান্ত বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের জন্য মৌলিক চাহিদার প্রাপ্তি নিশ্চিত করেছেন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের জন্য কি করেছেন আমাদের গ্রামের মানুষের জন্য কি করেছেন তা বিগত ১৩ বছর আগের সময়ের সাথে তুলনা করলেই বোঝা যায়। বাসস্থান, শিক্ষা, খাদ্য, কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস সড়ক যোগাযোগ, রেলপথ যোগাযোগ এসব মৌলিক চাহিদাগুলো তিনি সবচাইতে বেশী প্রাধান্য দিয়েছে।

তিনি বলেন, আজ থেকে ১৩ বছর আগে গ্রাম গঞ্জের অনেক মানুষ ছাদহীন গৃহহীন ছিল। এই ১৩ বছরে লক্ষ লক্ষ আশ্রয়হীন মানুষকে ছাদের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। আজ থেকে ১৩ বছর আগে বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের মানুষ অনাহারে কিংবা অর্ধাহারে জীবন কাটাতো। জননেত্রী শেখ হাসিনা সেই মানুষগুলো কে খাদ্যের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। কিভাবে করেছেন অনুর্বর জমির জন্য স্যার সেচের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যে উত্তর অঞ্চলকে একসময় মঙ্গার দেশ বলা হতো, সে এলাকায় এখন সুজলা সুফলা। বাংলার মানুষ এখন না খেয়ে থাকে না।

 

 

শান্ত বলেন, আমার বাবা অধ্যক্ষ মতিউর রহমান কুপি বাতি দিয়ে অথবা ল্যাম্পপোস্টের আলোয় পড়ালেখা করে মাস্টার্স পাস করেছেন। তার সন্তান আমি বিদ্যুতের নিচে পড়ালেখা করে বড় হয়েছি। আমি বড় হতে হতে দেখেছি আমার বাবা তার নামের পাশে বড় বড় পদ অলংকৃত করেছেন। তিনি চেয়ারম্যান হয়েছেন, এমপি হয়েছেন, মন্ত্রী হয়েছেন। সেই মানুষের ঘরে বিদ্যুতের আলো থাকবে এটা স্বাভাবিক। তবে আজকে গ্রাম থেকে শহরে কোথাও কি বিদ্যুতের সমস্যা আছে? নাই। ১৩ বছর আগে সম্পদশালীরা ও অনেকটা সময় বিদ্যুৎ পেত না। ইনশাআল্লাহ শেখ হাসিনা ১৩ বছরের বিদ্যুতের এমন ব্যবস্থা করেছেন আমর পাশে আজ হাজার হাজার বাতি জ্বলছে। এখন কেউ বিদ্যুৎ ছাড়া থাকে না। এটি শেখ হাসিনার অবদান। ১৩ বছর আগের কথা চিন্তা করুন আর আজকের অবস্থা দেখুন।

 

 

শান্ত বলেন,মানুষের আর একটি মৌলিক চাহিদা শিক্ষা। শিক্ষিত জাতি পারে দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে। শেখ হাসিনা সেই ব্যবস্থাও করেছেন। আজকে আমাদের সন্তানরা অবৈতনিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে পড়ালেখা করতে পারছে। বাংলার প্রতিটি অঞ্চলে প্রতিটি এলাকায় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা করে দিয়েছেন। যেখান থেকে শিক্ষিত হয়ে আপনার আমার সন্তানরা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বড় বড় ফার্মে চাকরী করছে। এভাবে দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ১৩ বছর আগের বাংলাদেশকে আজকের সাথে মিলিয়ে দেখুন। আমি শেখ হাসিনার কর্মী আমি শেখ হাসিনার গুনকীর্তন করতেই পারি। আপনারা যারা সাধারণ মানুষ আছেন আপনাদের উপহার ভার দিলাম ১৩ বছর আগের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ এই পার্থক্য যদি ধরতে পারেন তবে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আপনাদের আস্থা রাখতে হবে।

 

 

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার জন্য আপনাদের আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে হবে। এই মানুষটাকে আল্লাহ আমাদের হায়াত দিয়ে বাঁচিয়ে রাখুক। কারণ শেখ হাসিনা বেঁচে থাকলে সুন্দর বাংলাদেশের ছবি আপনাদের সামনে থাকবে। হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকলে আজকের এই উজ্জ্বল বাংলাদেশ থাকবে। আল্লাহ না করুক যেদিন শেখ হাসিনা বাংলার মসনদে থাকবে না সেদিন বাংলা হবে ১৩ বছর আগের বাংলাদেশ, বাংলা ভাইয়ের বাংলাদেশ। মনে করে দেখেন গত বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমল। আপনাদের পাশে যদি কোন একটি বস্তা পড়ে থাকত তাহলে আমরা আপনারা সবাই ভয় পেতাম। এটাতে বোম রাখা আছে কিনা, আমরা সেই রাত রাস্তা ছেড়ে দিতাম।

 

 

তিনি বলেন,১৩ বছর আগে বা তারও আগে বিএনপি-জামায়াত জোটের ক্ষমতায় শ্বেতসার চাইতে গিয়ে বাংলার কৃষক ভাইদের গুলি খেতে হয়েছিল। সেই বাংলাদেশকে আজকে শেখ হাসিনা এই বাংলাদেশে নিয়ে এসেছেন। আজকে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে সম্মানের সাথে দেখা হয়। বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ আজ এমন একটি প্রভাববলয় করেছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ মায়ানমারের কাছ থেকে নিজেদের সমুদ্রসীমানা ছিনিয়ে নিয়ে এসেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রভাব বলয়ে এটি সম্ভব হয়েছে।

 

 

তিনি বলেন শেখ হাসিনার কর্মী হিসেবে তার গুণগান গানা যদি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব হয়। তবে আজকে এখানে উপস্থিত মা-বোনদেরও নৈতিক দায়িত্ব তার গুণগান গাওয়া। পার্থক্য ১৩ বছরের দিকে তাকালেই তা করা যায়। কোন সময় আপনারা ভালো আছেন। তাই আপনাদের কাছে মিনতি করে যাই। শেখ হাসিনার সকল সময়ে আপনারা তার পাশে থাকবেন।

 

 

শান্ত বলেন, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোটের আমলে ছাত্রদল যুবদলের অন্যায় অত্যাচার জুলুমের শিকার হয়েছে। পুলিশের নির্মম নির্যাতনের আজও খুঁজলে পিঠে দাগ খুঁজে পাবেন। এখানে সেসময়কার যেসব কর্মীরা আছেন তাদের পিঠ খুঁজলেও সেই মারের দাগ পাবেন। যেদিন ক্ষমতায় এসেছি ২০০৮ সালে আমার বাবা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ময়মনসিংহ সদর ৪ আসনের এমপি হয়েছেন। যেদিন সকল অত্যাচার এর শোধ নেওয়ার সময় এসেছে সেদিন শেখ হাসিনার মোবাইল থেকে সকল আওয়ামী লীগ নেতাদের মোবাইলে কল এসেছে।

 

 

তিনি বলেন, আমার বাবা অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের মোবাইলেও তেমনি কল এসেছে। শেখ হাসিনার নির্দেশ এসেছে আপনি কোন বিজয় মিছিল করবেন না। কারণ মিছিল থেকে বিএনপি ছাত্রদল-যুবদলের নেতাকর্মীদের বাড়িতে আওয়ামী লীগ কর্মীরা হামলা করতে পারে। সেদিন শেখ হাসিনার নির্দেশে সব ভুলে যেতে হয়েছিল। কারণ সেই শোধ নিতে গেলে রক্তাক্ত হতো বাংলাদেশ।

 

 

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ছাড়া আর কারো উপর আস্থা রাখার দরকার নাই। শেখ হাসিনা ছাড়া আওয়ামী লীগের কিছু নাই। মানুষের তার ওপর আস্থা ভালোবাসা ছাড়া আওয়ামী লীগের কিছু নাই। আমরা যারা তাঁর নেতাকর্মী আমরা তার আলোয় আলোকিত। শেখ হাসিনার আলো যদি নিভে যায়। সেদিন আমাদের কারো কিছু করার থাকবেনা। বাংলাদেশের আলো নিভে যাবে।

 

 

শান্ত বলেন, শেষ করার আগে একটি কথা বলি বক্তারা সবাই সেই কথা এখানে তুলেছেন। আমিনুল হক শামীম সাহেব একজন ব্যবসায়ী মানুষ সদ্য আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তিনি এই ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নে, আমার বাবার হাত ধরে যারা নেতা হয়েছিল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক মন্ডল, যাকে আমি নেতা বানিয়েছিলাম এই জুটমিলের সভাপতি বানিয়েছিলাম ওসমান চাচা, তাদের সামনে রেখে উনি কিছু কথা বলে গেছেন।

তিনি বলেন, আমি মোহিত উর রহমান শান্ত আমার রাজনৈতির বয়স ২৮ বছর। আমি স্বৈরাচার বিরোধী এরশাদ আমলে জিল্লু ভাই বাবু ভাইদের মিছিলের সামনে, পেছনে পেছনে ছোট্ট ছেলে রাজনীতি করেছি। আমি যদি বলতে চাই তাহলে তো তিনি অনেক সম্মানিত হয়ে যাবেন। কারণ আমি মানুষ হিসেবে না, আমি একজন আওয়ামী লীগার হিসেবে বঙ্গবন্ধুর কর্মী হিসেবে, জননেত্রী শেখ হাসিনার কর্মী হিসেবে আমি তার চাইতে অনেক বেশি সমৃদ্ধ। এখানে আমার অনেক নেতা-কর্মী আছেন আমার সবচাইতে কনিষ্ঠকর্মীর রাজনৈতিক বয়স ১০ থেকে ১২ বছরের নিচে না।

 

 

তিনি আমিনুল হক শামীম সাহেবকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনাকে আওয়ামী লীগার হতে হলে আরো কয়েকটি বছর আওয়ামী লীগ করতে হবে। কারণ বিগত আমলে যখন আপনি বিএনপি করেছেন, সাবেক ছাত্র দলের নেতা ছিলেন এই গন্ধ মুছতে মুছতে আপনার অনেক দিন চলে যাবে। এরপর যদি রাজনীতি ছেড়ে দেই, আল্লাহ আপনাকে বাঁচিয়ে রাখুক অনেক বছর, আমরা সবাই রাজনীতি ছেড়ে দিলেও যতদিন বাঁচবো, ততদিন আপনি জয়বাংলা বলতে বলতে আমাদের সমকক্ষ হতে পারবেন না।

 

 

তিনি বলেন, আরেকটি কথা। “আপনি যে কথাগুলো তুলেছেন, আমাকে নিয়ে যে কথাগুলোর অবতারণ করেছেন”। “যেই জায়গায় করেছেন, যাদেরকে নিয়ে করেছেন, তাদের আঙ্গীনায় এই চরাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষকে সাথে নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি একটি জনসভা করবো”। “সেই জনসভায় আমি আপনার সম্বন্ধে খালি তিনটি কথা বলবো, এরপর দিন যদি আপনি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে ময়মনসিংহে মুখ দেখাতে পারেন তাহলে আমি মোহিত উর রহমান শান্ত ময়মনসিংহ ছেড়ে দিবো”।

 

 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগ সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক রাসেল পাঠান, ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সরকার মোহাম্মদ সব্যসাচী, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফয়জুর রাজ্জাক ঊষাণ, জেলা যুবলীগ সদস্য পিন্টু সরকার, সেলিম উদ্দিন, এবিএম আক্তারুজ্জামান রবিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ যুগ্মসাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ পান্না, যুবলীগ নেতা রাফিউল রাজ্জাক বাদশা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা ফয়জুর রহমান মারুফ, আবুল হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা প্রিয়ম প্রমূখ।

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com