সন্ধ্যা ৭:৪৯ | শনিবার | ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সৈয়দ আশরাফ বেঁচে থাকবেন চিরঞ্জীব হয়ে

বিল্লাল হোসেন প্রান্ত ॥
তিনি ময়মনসিংহে আসলেই নেতাকর্মীদের উপস্থিতির ঢল কখনই শেষ হতো না। কলেজ রোডের বাসায় আসলে একরকম নেতাকর্মী ঠাসা অবস্থায় তাকে খাবারটাও খেতে হতো। এ ঢল ছিল ভালোবাসার, এ ঢল ছিল নিজেদের কৃতি সন্তানের প্রতি অন্তরিকতার, এ ঢল ছিল জনপ্রিয়তার, এ ঢল ছিল আওয়ামী লীগ পুত্র সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রতি জনমতের ঢল। সেই তিনি আসলেন। কফিনে মোড়ানো গায়ে পরিশুদ্ধাতার সুগন্ধি নিয়ে। আজ তিনি বক্তব্য রাখেবেন না। নিবেন চির বিদায়।

আজ তার শেষ বিদায়ে জনসমুদ্রের সে ঢল শুধুই কান্না আর ¯্রষ্টার কাছে ভালো থাকার প্রার্থনায় পরিসমাপ্ত হলো ময়মনসিংহ আঞ্জুমান ঈদগাহ ময়দানে। চলে গেলেন প্রিয় নেতা সকল বন্ধন ছিড়ে চির নিদ্রায় সায়িত হতে। সকল মৃত্যুর মৃত্যু হয় না। বেঁচে থাকে কির্তিতে যুগে যুগে চিরঞ্জীব হয়ে।

 

মরহুম সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ আজ কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ময়দানে আনা হয় প্রথম নামাযে জানাযার জন্য। সেখান থেকে দুপুর ২ টায় লাশবাহী হেলিকাপ্টার যোগে মরদেহ আনা হয় ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে। পরে লাখ লাখ মুসল্লির উপস্থিতিতে ময়মনসিংহ আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে তার দ্বিতীয় নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে মরহুমের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান জানান জেলা প্রশাসন। তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক হানিফ, মরহুমের ছোট ভাই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অব: সাফায়েতুল ইসলাম, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এড. জহিরুল হক খোকা, সাধারণ সম্পাদক এড. মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ এহতেশামুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত, ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ, সিটি করপোরেশন প্রশাসক ইকরামুল হক টিটু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, দক্ষিন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ, জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আহমেদ, এড, এমদাদুল হক মিল্লাত প্রমুখ।

 

জানাযার পূর্বে ময়মনসিংহের আকাশ থেকে তিনটি হেলিকাপ্টার সার্কিট হাউজ ময়দানে অবতরণ করে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ হেলিকাপ্টারে আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ আনা হয়। আরেকটি হেলিকাপ্টারে আসেন চট্রগ্রামের কৃতি সন্তান সদ্য সাংসদ ব্যারিস্টার নওফেলসহ নেতৃবৃন্দ। লাশবাহী সফরে আরেকটি হেলিকাপ্টারে আসেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত, গফরগাঁওয়ের জনপ্রিয় নেতা এমপি ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল। মরহুম সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ ব্যাংকক থেকে বাংলাদেশে আনার থেকেই সকল অনুষ্ঠানিকতায় লাশ নিয়ে সফর করছেন নেতৃবৃন্দ। আজ বিকেলে বনানী কবরস্থানে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে চির নিদ্রায় সায়িত করা হবে।

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালে ময়মনসিংহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী। পারিবারিক ঐতিহ্যের সূত্র ধরে তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। স্বাধীনতার পর তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

 

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারে বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতার নির্মম হত্যাকান্ডের পর তিনি যুক্তরাজ্য চলে যান। প্রবাস জীবনে তিনি যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

আশরাফুল ইসলাম ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তখন দায়িত্ব পান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে। পরে ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

 

একদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এলাকায় বিভিন্ন সমাজসেবামূলক ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন। গত বছরের অক্টোবরে তার স্ত্রী শিলা ইসলাম মারা যান। তাদের এক মেয়ে রয়েছেন।

Print Friendly, PDF & Email

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» দুঃসময়ের ত্যাগী নেতৃত্বের হাতেই থাকবে আগামী আওয়ামী লীগ- ময়মনসিংহে বাহাউদ্দিন নাছিম

» শেখ রেহেনার জন্মদিনে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া

» বাহাউদ্দিন নাসিম এর আগমন উপলক্ষে  ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

» কথা ক্লিয়ার-শিক্ষিত,ক্লিন ইমেজ যুবকদের জন্য অবারিত যুবলীগ- কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খসরু

» ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

» ময়মনসিংহ মহানগরী জু্ড়ে শোক আয়োজনে মোহিত উর রহমান শান্ত

» শোক দিবসে যুবলীগনেতা সব্যসাচীর উদ্যেগে অসহায়দের মাঝে বস্ত্র বিতরণ ও গণভোজ

» ১৫ আগস্ট পালন উপলক্ষে ময়মনসিংহ মহানগর সাধারণ সম্পাদকের মতবিনিময় সভা

» ময়মনসিংহে মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে মাসব্যাপী রেশনিং সিস্টেমে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

» শর্ত সাপেক্ষে খুলে দেয়া হয়েছে জেলা স্কুল মোড়ের সেই ত্রুটিপূর্ণ ১৪ তলা ভবন

» সংসার ফিরে পেতে চায় ময়মনসিংহের ডাক্তার জান্নাতুল   

» নগর জুড়ে ময়মনসিংহ মহানগর সাধারণ সম্পাদকের ইফতার বিতরণ

» প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রাপ্যদের হাতে তুলে দিচ্ছেন ময়মনসিংহের ডিসি এনামুল হক

» ময়মনসিংহে অসহায় কৃষকের ধান কেটে ঘরে পৌছে দিলো ছাত্রলীগ নেতা টুটুল

» ময়মনসিংহ টিসিএ’র সভাপতি নুরুজ্জামান সম্পাদক দেলোয়ার 

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com

,

basic-bank

সৈয়দ আশরাফ বেঁচে থাকবেন চিরঞ্জীব হয়ে

বিল্লাল হোসেন প্রান্ত ॥
তিনি ময়মনসিংহে আসলেই নেতাকর্মীদের উপস্থিতির ঢল কখনই শেষ হতো না। কলেজ রোডের বাসায় আসলে একরকম নেতাকর্মী ঠাসা অবস্থায় তাকে খাবারটাও খেতে হতো। এ ঢল ছিল ভালোবাসার, এ ঢল ছিল নিজেদের কৃতি সন্তানের প্রতি অন্তরিকতার, এ ঢল ছিল জনপ্রিয়তার, এ ঢল ছিল আওয়ামী লীগ পুত্র সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রতি জনমতের ঢল। সেই তিনি আসলেন। কফিনে মোড়ানো গায়ে পরিশুদ্ধাতার সুগন্ধি নিয়ে। আজ তিনি বক্তব্য রাখেবেন না। নিবেন চির বিদায়।

আজ তার শেষ বিদায়ে জনসমুদ্রের সে ঢল শুধুই কান্না আর ¯্রষ্টার কাছে ভালো থাকার প্রার্থনায় পরিসমাপ্ত হলো ময়মনসিংহ আঞ্জুমান ঈদগাহ ময়দানে। চলে গেলেন প্রিয় নেতা সকল বন্ধন ছিড়ে চির নিদ্রায় সায়িত হতে। সকল মৃত্যুর মৃত্যু হয় না। বেঁচে থাকে কির্তিতে যুগে যুগে চিরঞ্জীব হয়ে।

 

মরহুম সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ আজ কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ময়দানে আনা হয় প্রথম নামাযে জানাযার জন্য। সেখান থেকে দুপুর ২ টায় লাশবাহী হেলিকাপ্টার যোগে মরদেহ আনা হয় ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে। পরে লাখ লাখ মুসল্লির উপস্থিতিতে ময়মনসিংহ আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে তার দ্বিতীয় নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে মরহুমের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান জানান জেলা প্রশাসন। তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক হানিফ, মরহুমের ছোট ভাই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অব: সাফায়েতুল ইসলাম, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এড. জহিরুল হক খোকা, সাধারণ সম্পাদক এড. মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ এহতেশামুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত, ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ, সিটি করপোরেশন প্রশাসক ইকরামুল হক টিটু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, দক্ষিন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ, জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আহমেদ, এড, এমদাদুল হক মিল্লাত প্রমুখ।

 

জানাযার পূর্বে ময়মনসিংহের আকাশ থেকে তিনটি হেলিকাপ্টার সার্কিট হাউজ ময়দানে অবতরণ করে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ হেলিকাপ্টারে আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ আনা হয়। আরেকটি হেলিকাপ্টারে আসেন চট্রগ্রামের কৃতি সন্তান সদ্য সাংসদ ব্যারিস্টার নওফেলসহ নেতৃবৃন্দ। লাশবাহী সফরে আরেকটি হেলিকাপ্টারে আসেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত, গফরগাঁওয়ের জনপ্রিয় নেতা এমপি ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল। মরহুম সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ ব্যাংকক থেকে বাংলাদেশে আনার থেকেই সকল অনুষ্ঠানিকতায় লাশ নিয়ে সফর করছেন নেতৃবৃন্দ। আজ বিকেলে বনানী কবরস্থানে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে চির নিদ্রায় সায়িত করা হবে।

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালে ময়মনসিংহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী। পারিবারিক ঐতিহ্যের সূত্র ধরে তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। স্বাধীনতার পর তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

 

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারে বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতার নির্মম হত্যাকান্ডের পর তিনি যুক্তরাজ্য চলে যান। প্রবাস জীবনে তিনি যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

আশরাফুল ইসলাম ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তখন দায়িত্ব পান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে। পরে ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

 

একদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এলাকায় বিভিন্ন সমাজসেবামূলক ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন। গত বছরের অক্টোবরে তার স্ত্রী শিলা ইসলাম মারা যান। তাদের এক মেয়ে রয়েছেন।

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com