সকাল ৭:০৫ | সোমবার | ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ ইং | ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ঈদের জন্য বেনাপোল দিয়ে আসছে ভারতীয় গরু

আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বেনাপোলের বিভিন্ন সীমান্তপথে বৈধ ও অবৈধ পথে আসছে ভারতীয় গরু। বৈধ পথের হিসাব থাকলেও অবৈধ পথে বা চোরাচালানের মাধ্যমে কত গরু আসছে তার কোনো তথ্য নেই কারো কাছে।

কাস্টম ও ভ্যাট অফিসের হিসাব অনুযায়ী গত এক মাসে বৈধ পথে ভারত থেকে ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে বাংলাদেশে। এ সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়বে বলে জানান কাস্টম ও গরু ব্যবসায়ীরা।

যশোরের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে ভারত সীমান্ত। এর বেশির ভাগ স্থান জুড়ে কাঁটাতারের বেড়া। তবে যেসব স্থানে বেড়া নেই, সেই পথে অনায়াসে গরু আনা যায়। আর যে পথে কাঁটাতারের বেড়া সেখানে নেয়া হয় ভিন্ন কৌশল। গরু-ছাগল মাঠে চরানোর নাম করে গেট দিয়েই পার করে দেয়া হয় বাংলাদেশে।

অন্যদিকে বৈধ পথে গরু, ছাগল ও ভেড়া আনার জন্য বেনাপোলে কয়েকটি খাটালের অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা এই চারটি খাটালে বর্তমানে সীমিতসংখ্যক গরু আসছে। চার-পাঁচ বছর আগে পুটখালীসহ এসব খাটাল হয়ে প্রতিদিন তিন-চার  হাজার গরু আসত।

বিজিবি ও যশোরের নাভারণের পশু শুল্ক করিডোর সূত্রমতে, গত ১ মাসে  ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে। গরু  থেকে ৩০ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা আয় করেছে সরকার।

এ অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা কাস্টমস পরিদর্শক সুমা মনি জানান, বেনাপোল সীমান্তের চারটি পশুর হাট পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা দিয়ে যে পশু আসে সেগুলোর ভ্যাট আদায় করা হয় নাভারণ করিডোরে। হিসাব করে দেখা গেছে, গড়ে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০টি পশু আসছে। ঈদ সামনে রেখে এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

এদিকে কোরবানির আগে পশু আমদানি বেড়ে গেলে বা ভারত থেকে পশু আসা বাড়লে দেশি খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে আশঙ্কা। তবে খুব বেশি ক্ষতি হবে এমনটা মনে করছেন না যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের হিসাব মতে, কোরবানি উপলক্ষে যশোরের ৮ উপজেলায় ৬৮ হাজার ২৫টি পশু হৃষ্টপুষ্ট করা হচ্ছে। এর মধ্যে গরু ৩৫ হাজার ৭০০, ছাগল ২৯ হাজার ৩০০ ও ভেড়া রয়েছে ৩ হাজার। আর জেলায় ৫৫ হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে।

অর্থাৎ ২৯ হাজার গরু এবং ছাগল ও ভেড়া মিলে ২৬ হাজার। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বাইরের জেলায় কোরবানির পশু সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানান যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

Print Friendly, PDF & Email
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন : Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শান্তর সৌজন্যে একাদশ শ্রেণীর দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্যপুস্তক সহায়তা

» গৌরীপুর স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদককে কুপিয়ে হত্যা

» বোররচরে নৌকার জনসভায় জনসমুদ্র; শান্তর আগমনে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ

» ময়মনসিংহে পারভেজ হত্যা রহস্য উন্মোচনসহ ৫ আসামি গ্রেফতার

» করোনা যোদ্ধাদের সম্মাননায় বিভাগীয় প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

» র‍্যাব-১৪ অভিযানে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার

» অনিয়ন্ত্রিত ময়মনসিংহ ছাত্রলীগ! দায় কাদের?

» প্রতিবন্ধী ও অসহায়দের মাঝে ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগের খাবার বিতরণ

» প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে জেলা যুবলীগের বৃক্ষ রোপণ ও খাবার বিতরণ

» ময়মনসিংহের কৃষ্টপুরে নিয়ম বহির্ভূত বিল্ডিংয়ে জনদুর্ভোগ

» ময়মনসিংহে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের প্রতিবাদ সমাবেশ, মানববন্ধন

» ছাত্রলীগের পদ প্রত্যাশায় ত্যাগী নেতাদের নিয়ে সমালোচনার প্রতিযোগীতা

» পরাণগঞ্জে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন প্রতিবাদ সমাবেশ

» কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের আগস্ট আলোচনা সভায় ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ

» দলীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সম্মেলন;একান্ত স্বাক্ষাৎকারে-সাংঠনিক সম্পাদক নাদেল

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com

,

basic-bank

ঈদের জন্য বেনাপোল দিয়ে আসছে ভারতীয় গরু

আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বেনাপোলের বিভিন্ন সীমান্তপথে বৈধ ও অবৈধ পথে আসছে ভারতীয় গরু। বৈধ পথের হিসাব থাকলেও অবৈধ পথে বা চোরাচালানের মাধ্যমে কত গরু আসছে তার কোনো তথ্য নেই কারো কাছে।

কাস্টম ও ভ্যাট অফিসের হিসাব অনুযায়ী গত এক মাসে বৈধ পথে ভারত থেকে ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে বাংলাদেশে। এ সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়বে বলে জানান কাস্টম ও গরু ব্যবসায়ীরা।

যশোরের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে ভারত সীমান্ত। এর বেশির ভাগ স্থান জুড়ে কাঁটাতারের বেড়া। তবে যেসব স্থানে বেড়া নেই, সেই পথে অনায়াসে গরু আনা যায়। আর যে পথে কাঁটাতারের বেড়া সেখানে নেয়া হয় ভিন্ন কৌশল। গরু-ছাগল মাঠে চরানোর নাম করে গেট দিয়েই পার করে দেয়া হয় বাংলাদেশে।

অন্যদিকে বৈধ পথে গরু, ছাগল ও ভেড়া আনার জন্য বেনাপোলে কয়েকটি খাটালের অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা এই চারটি খাটালে বর্তমানে সীমিতসংখ্যক গরু আসছে। চার-পাঁচ বছর আগে পুটখালীসহ এসব খাটাল হয়ে প্রতিদিন তিন-চার  হাজার গরু আসত।

বিজিবি ও যশোরের নাভারণের পশু শুল্ক করিডোর সূত্রমতে, গত ১ মাসে  ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে। গরু  থেকে ৩০ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা আয় করেছে সরকার।

এ অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা কাস্টমস পরিদর্শক সুমা মনি জানান, বেনাপোল সীমান্তের চারটি পশুর হাট পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা দিয়ে যে পশু আসে সেগুলোর ভ্যাট আদায় করা হয় নাভারণ করিডোরে। হিসাব করে দেখা গেছে, গড়ে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০টি পশু আসছে। ঈদ সামনে রেখে এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

এদিকে কোরবানির আগে পশু আমদানি বেড়ে গেলে বা ভারত থেকে পশু আসা বাড়লে দেশি খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে আশঙ্কা। তবে খুব বেশি ক্ষতি হবে এমনটা মনে করছেন না যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের হিসাব মতে, কোরবানি উপলক্ষে যশোরের ৮ উপজেলায় ৬৮ হাজার ২৫টি পশু হৃষ্টপুষ্ট করা হচ্ছে। এর মধ্যে গরু ৩৫ হাজার ৭০০, ছাগল ২৯ হাজার ৩০০ ও ভেড়া রয়েছে ৩ হাজার। আর জেলায় ৫৫ হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে।

অর্থাৎ ২৯ হাজার গরু এবং ছাগল ও ভেড়া মিলে ২৬ হাজার। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বাইরের জেলায় কোরবানির পশু সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানান যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

Print Friendly, PDF & Email
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন : Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com