দুপুর ১২:১২ | শুক্রবার | ২২শে মার্চ, ২০১৯ ইং | ৮ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ঈদের জন্য বেনাপোল দিয়ে আসছে ভারতীয় গরু

আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বেনাপোলের বিভিন্ন সীমান্তপথে বৈধ ও অবৈধ পথে আসছে ভারতীয় গরু। বৈধ পথের হিসাব থাকলেও অবৈধ পথে বা চোরাচালানের মাধ্যমে কত গরু আসছে তার কোনো তথ্য নেই কারো কাছে।

কাস্টম ও ভ্যাট অফিসের হিসাব অনুযায়ী গত এক মাসে বৈধ পথে ভারত থেকে ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে বাংলাদেশে। এ সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়বে বলে জানান কাস্টম ও গরু ব্যবসায়ীরা।

যশোরের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে ভারত সীমান্ত। এর বেশির ভাগ স্থান জুড়ে কাঁটাতারের বেড়া। তবে যেসব স্থানে বেড়া নেই, সেই পথে অনায়াসে গরু আনা যায়। আর যে পথে কাঁটাতারের বেড়া সেখানে নেয়া হয় ভিন্ন কৌশল। গরু-ছাগল মাঠে চরানোর নাম করে গেট দিয়েই পার করে দেয়া হয় বাংলাদেশে।

অন্যদিকে বৈধ পথে গরু, ছাগল ও ভেড়া আনার জন্য বেনাপোলে কয়েকটি খাটালের অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা এই চারটি খাটালে বর্তমানে সীমিতসংখ্যক গরু আসছে। চার-পাঁচ বছর আগে পুটখালীসহ এসব খাটাল হয়ে প্রতিদিন তিন-চার  হাজার গরু আসত।

বিজিবি ও যশোরের নাভারণের পশু শুল্ক করিডোর সূত্রমতে, গত ১ মাসে  ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে। গরু  থেকে ৩০ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা আয় করেছে সরকার।

এ অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা কাস্টমস পরিদর্শক সুমা মনি জানান, বেনাপোল সীমান্তের চারটি পশুর হাট পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা দিয়ে যে পশু আসে সেগুলোর ভ্যাট আদায় করা হয় নাভারণ করিডোরে। হিসাব করে দেখা গেছে, গড়ে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০টি পশু আসছে। ঈদ সামনে রেখে এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

এদিকে কোরবানির আগে পশু আমদানি বেড়ে গেলে বা ভারত থেকে পশু আসা বাড়লে দেশি খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে আশঙ্কা। তবে খুব বেশি ক্ষতি হবে এমনটা মনে করছেন না যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের হিসাব মতে, কোরবানি উপলক্ষে যশোরের ৮ উপজেলায় ৬৮ হাজার ২৫টি পশু হৃষ্টপুষ্ট করা হচ্ছে। এর মধ্যে গরু ৩৫ হাজার ৭০০, ছাগল ২৯ হাজার ৩০০ ও ভেড়া রয়েছে ৩ হাজার। আর জেলায় ৫৫ হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে।

অর্থাৎ ২৯ হাজার গরু এবং ছাগল ও ভেড়া মিলে ২৬ হাজার। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বাইরের জেলায় কোরবানির পশু সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানান যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

Print Friendly, PDF & Email
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন : Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» ১৮ বছর পর হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ

» ডিবি পুলিশের হাতে অস্ত্র গুলিসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

» সিটি নির্বাচনের উপর নির্ভর করছে রাজনীতি

» ময়মনসিংহে পুলিশের কাউন্সিলে আন্দোলন থেকে সরে এলো শিক্ষার্থীরা (ভিডিওসহ)

» জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীতে সব্যসাচীর নেতৃত্বে আনন্দর‍্যালী,স্কুলে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা

» বাঙ্গালী জাতিকে মুক্ত করতে আল্লাহ বঙ্গবন্ধুকে পাঠিয়েছিলেন-মোহিত উর রহমান শান্ত

» বঙ্গবন্ধুর ৯৯ তম জন্মবার্ষিকীতে যুবলীগের দোয়া ও এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ

» ময়মনসিংহ প্রশাসনের বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতির পিতার ৯৯ তম জন্মবার্ষিকী পালন

» ময়মনসিংহে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত সহস্রাধিক, ৫ জনের মৃত্যু

» ভাইস চেয়ারম্যান পদে “চশমা” প্রতীকে যুবনেতা শাহীন

» ক্ষুদ্র থেকেই বৃহতের সৃষ্টি হয়-এসএমই পণ্যমেলায় ডিসি

» রাত ১২ টার পর ফেসবুক বন্ধে সংসদে রওশন এরশাদ এমপির প্রস্তাব

» ময়মনসিংহে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

» ময়মনসিংহ থানাঘাট বধ্যভূমি সংস্কারে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রশংসনিয় উদ্যেগ

» হালুয়াঘাটে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় ঝর্ণাঘোষ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় বিডি আইটি এক্সপার্ট

,

basic-bank

ঈদের জন্য বেনাপোল দিয়ে আসছে ভারতীয় গরু

আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বেনাপোলের বিভিন্ন সীমান্তপথে বৈধ ও অবৈধ পথে আসছে ভারতীয় গরু। বৈধ পথের হিসাব থাকলেও অবৈধ পথে বা চোরাচালানের মাধ্যমে কত গরু আসছে তার কোনো তথ্য নেই কারো কাছে।

কাস্টম ও ভ্যাট অফিসের হিসাব অনুযায়ী গত এক মাসে বৈধ পথে ভারত থেকে ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে বাংলাদেশে। এ সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়বে বলে জানান কাস্টম ও গরু ব্যবসায়ীরা।

যশোরের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে ভারত সীমান্ত। এর বেশির ভাগ স্থান জুড়ে কাঁটাতারের বেড়া। তবে যেসব স্থানে বেড়া নেই, সেই পথে অনায়াসে গরু আনা যায়। আর যে পথে কাঁটাতারের বেড়া সেখানে নেয়া হয় ভিন্ন কৌশল। গরু-ছাগল মাঠে চরানোর নাম করে গেট দিয়েই পার করে দেয়া হয় বাংলাদেশে।

অন্যদিকে বৈধ পথে গরু, ছাগল ও ভেড়া আনার জন্য বেনাপোলে কয়েকটি খাটালের অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা এই চারটি খাটালে বর্তমানে সীমিতসংখ্যক গরু আসছে। চার-পাঁচ বছর আগে পুটখালীসহ এসব খাটাল হয়ে প্রতিদিন তিন-চার  হাজার গরু আসত।

বিজিবি ও যশোরের নাভারণের পশু শুল্ক করিডোর সূত্রমতে, গত ১ মাসে  ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে। গরু  থেকে ৩০ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা আয় করেছে সরকার।

এ অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা কাস্টমস পরিদর্শক সুমা মনি জানান, বেনাপোল সীমান্তের চারটি পশুর হাট পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা দিয়ে যে পশু আসে সেগুলোর ভ্যাট আদায় করা হয় নাভারণ করিডোরে। হিসাব করে দেখা গেছে, গড়ে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০টি পশু আসছে। ঈদ সামনে রেখে এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

এদিকে কোরবানির আগে পশু আমদানি বেড়ে গেলে বা ভারত থেকে পশু আসা বাড়লে দেশি খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে আশঙ্কা। তবে খুব বেশি ক্ষতি হবে এমনটা মনে করছেন না যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের হিসাব মতে, কোরবানি উপলক্ষে যশোরের ৮ উপজেলায় ৬৮ হাজার ২৫টি পশু হৃষ্টপুষ্ট করা হচ্ছে। এর মধ্যে গরু ৩৫ হাজার ৭০০, ছাগল ২৯ হাজার ৩০০ ও ভেড়া রয়েছে ৩ হাজার। আর জেলায় ৫৫ হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে।

অর্থাৎ ২৯ হাজার গরু এবং ছাগল ও ভেড়া মিলে ২৬ হাজার। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বাইরের জেলায় কোরবানির পশু সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানান যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

Print Friendly, PDF & Email
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন : Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় বিডি আইটি এক্সপার্ট