দুপুর ১২:২৩ | বুধবার | ২৭শে মে, ২০২০ ইং | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহের দৃষ্টিনন্দন জনবান্ধব থানা ফুলবাড়িয়া

বিল্লাল হোসেন প্রান্ত ॥

পুলিশ মানেই কঠিন, কঠোর, ভিন্ন দৃষ্টির মানুষ। এমন ধারনা অনেক সাধারণ মানুষের মধ্যেই আছে। এ বোধ সমাজের অনেক সচেতন নাগরিক মহলেও আছে। সহজে পুলিশের সংস্পর্শে যাওয়া যাবে না। কথায় আছে বাঘে ছুলে আঠারো ঘা, পুলিশ ছুলে ৩৬ ঘা। এ ধারনা একেবারে অমুলক তাও বলতে চাই না। সেটি নিতান্তই পুলিশী আইন ভঙ্গকারী, দুস্কৃতিকারী, অপরাধীদের জন্যই হওয়া উচিত। তবে সাধারণ জনগনের জন্য পুলিশ ভীতি কাটিয়ে দৃষ্টিনন্দন জনবান্ধব থানায় রূপান্তর হয়েছে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানা। আর এর পেছেনে কাজ করে যাচ্ছেন ফুলবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ কবিরুল ইসলাম। তার সাথে রয়েছেন ফুলবাড়িয়া থানার ওসি তদন্ত আবুল খায়ের।

ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলাটি একটি জনবহুল এলাকা। ১৩ টি ইউনিয়ন নিয়ে উপজেলা এবং ৯ টি ওয়ার্ড নিয়ে পৌর এলাকা। জনসংখ্যার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুলিশের সংখ্যা অনেক কম। ফলে পুলিশ সদস্যদের প্রায় ২৪ ঘণ্টা তাদের কাজকর্মে ব্যস্থ থাকতে হয়। শত ব্যস্থতার মাঝেও ফুলবাড়িয়া থানার পুলিশ সদস্যরা তাদের থানা ভবনকে ফুলে ফলে সাজিয়ে তুলেছেন।

ফুলবাড়িয় থানায় সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নির্মিত হয়েছে আধুনিক থানা মসজিদ। দৃষ্টিনন্দন ওই মসজিদটি উপজেলার মানুষজনকে আকৃষ্ট করে তুলেছে। আর সেই সাথে থানা ভবনকে আরো সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলতে ভবনের সামনে গড়ে তোলা হয়েছে গোলাপ ফুলের বাগান। থানা এলাকার ভিতরে খালি জমিতে আরেকটি বাগানে চাষ করা হয় ড্রাগন ফলের এর সাথে পালং শাকেরও চাষ হয়। আর থানা ভবনের ঠিক পিছনে আরেকটি বাগান রয়েছে। যেখানে বিভিন্ন ফলজ গাছ সহ শাক সবজির চাষ করা হয়। ছোট ছোট আম গাছে থোকায় থোকায় আম। পেপে গাছে পেপে। প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠেই ফুল ফলের বাগানের পরিচর্যা করেন ওসি শেখ কবিরুল ইসলাম। শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিয়মিত নিজেই ফুল গাছগুলোর পরিচর্যার পাশাপাশি প্রতিটি গাছে পানি দিয়ে থাকেন। ফলে ফুলবাড়িয়া থানা ভবন, মসজিদ, ফুল ও ফলের বাগানে সবার দৃষ্টি পড়েছে।

এখন মানুষের কাজ না থাকলেও দেখতে আসেন থানা ভবনের ফুল ও ফলের বাগানসহ ভিতরের সোন্দর্য্য। দেখে মনে হয় এটা থানা নয়, যেন ফুলের পার্ক। নজর কাড়া আকর্ষণ যা পুলিশের প্রতি জনগনের দৃষ্টিভঙ্গিকে পরিবর্তন করেছে। পুলিশকে করেছে জনবান্ধব।

শুধু ফুল আর ফলের বাগান নয়। ওসি কবিরুল ইসলাম এ থানায় ২০১৭ সালের ৯ মে যোগদানের পরই পুরাতন থানা ভবন ভেঙে নতুনভাবে পুলিশ ব্যারাক, পুরাতন থানা ভবনের অংশ বিশেষ ভেঙ্গে সম্পূর্ণ নতুন ভাবে উন্নত কনফারেন্স রুম নির্মান ও আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করেছেন। উন্নতমানের শিশু বান্ধব কক্ষ নির্মান। জরাজির্ন গাড়ীর গ্যারেজ ভেঙ্গে মানসম্মত গ্যারেজ নির্মান। মসজিদে যাওয়ারা জন্য পার্কিং টাইলস সহ রাস্তা নির্মান। টিনসেট থানা ভবনে মানসম্মত আধুনিক দুটি টয়লেট,দুটি প্রসাবখানাসহ টাইলস স্থাপন, সেফটি ট্যাকিং নির্মান করেছেন। পুরাতন থানা ভবনকে নতুনভাবে থাই এ্যালুমিনিয়াম গ্লাস লাগানোসহ রং করা। থানা ভবনের ভিতরে নিচু জায়গায় বালি মাটি ভরাট করা। রান্নাঘরের টিনের ছাউনি মেরামত। ইন্সপেকশন রুমের টিনের ছাউনী মেরামত টাইলস, গ্রীল লাগানোসহ রং করে দৃষ্টিনন্দন করে তোলা হয়েছে।

এছাড়া গড়ে তোলা হয়েছে টিনসেট মটরসাইকেল গ্যারেজ। আরসিসি ঢালাই দিয়ে খেলার মাঠ নির্মান করা হয়েছে। থানার মূল গেইট রং করা,সাব ইন্সপেক্টরদের কোয়াটারে টিনের ছাউনী ও মেরামত করা হয়েছে। থানার ভিতরে অফিসার ও ফোর্সদের গোসলখানা ও টয়লেট নির্মান। আরসিসি রাস্তা নির্মান। গোলঘর সংস্কার ও টাইলস লাগানো। থানা মসজিদের নিচ তলার ফোর, দোতালার ফোর এবং সিড়ি টাইলস করণ। থানা মসজিদে সিলিং ফ্যান সংযোজন। নিচ তলায় এসএস টাইপের গ্রীল, থাই এ্যালুমিনিয়ামসহ গ্লাস স্থাপন। থানা মসজিদ মিনারে সম্পূর্ণরূপে টাইলস স্থাপন। দর্শনীয় গেইট,টাইলস স্থাপন,এলিডি লাইট লাগানো হয়েছে। মসজিদের ফুল বাগান তৈরী করা। থানা মসজিদের সাইড দেয়ালসহ পকেট গেইট নির্মান ও মেহরাবের পাশে দেয়াল নির্মান করা হয়েছে। মসজিদের মেহরাব কক্ষ নতুন করে মেরামত এবং দেয়াল সংলগ্ন পুকুড়ে মাটি ভরাট। মসজিদের সেফটি ট্যাকিং নির্মান। এছাড়াও মসজিদের দুটি টয়লেট, দুটি প্রসাবখানা ও ২২ টি আসনের অজুখানা নির্মান করা হয়েছে।

ফুলবাড়িয়া থানার ওসি শেখ কবিরুল ইসলাম বলেন, সমাজে ফুলকে ভালোবাসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া হয়তো বা যাবে না। বিভিন্ন কারণেই থানায় প্রতিদিন অনেক লোকজন আসেন। তাদের কাছে নিজের স্মৃতিচিহৃ রেখে যাওয়ার প্রয়াস থেকেই আমার এই ুদ্র চেষ্টা।
তিনি বলেন, আমি ফুলবাড়িয়া থানায় যোগদানের পর প্রতিটি উন্নয়ন ও সোন্দর্য্যবর্ধনের সাথে জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম স্যারের নির্দেশনা ও পরামর্শ পেয়েছি। সেই সাথে এ এলাকার জনপ্রতিনিধিদের আন্তরিক সহযোগিতায় আজ এ থানা ভবনে শুধু অপরাধীরাই নয়। সাধারণ জনগণও আসেন এর সোন্দর্য্য অবলোকন করতে।


থানার সোন্দর্য্য বর্ধনের সাথে সাথে ওসি শেখ কবিরুল ইসলাম যেমনটা যতœবান তেমনি উপজেলার আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে কঠোরহস্ত। মাদক, জুয়া, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স শতভাগ নিশ্চিতে অনড় তিনি। থানা ভবনে ডুকতেই সকলের নজর কারবে একটি বিজ্ঞপ্তি। ‘দয়া করিয় মোটরসাইকেল সংক্রান্তে তদবির করিয়া বিব্রত করিবেন না’। এপ্রিল মাসে ফুলবাড়িয়া থানায় মাদকের মামলা হয়েছে ১০টি। গ্রেফতার হয়েছে ১১ জন। উদ্ধার হয়েছে ২৫৪ পিস ইয়াবা, ৫শ গ্রাম গাঁজা, ১শ লিটার চোলাই মদ। এছাড়া মঙ্গলবার ৩টি মামলার ১১ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে সেদিন গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করতে দেখা গেছে।

Print Friendly, PDF & Email
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন : Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» মমেক হাসপাতালের নতুন ভবনে কোভিড চিকিৎসার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী

» বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মীদের ঈদ উপহার নগদ অর্থ দিলেন করোনা যোদ্ধা ডা: আশিক

» আফাজ উদ্দিন সরকার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

» এসএসসি ১৯৯৯-২০০০ ব্যাচের উদ্যােগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

» মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাদার ইফতার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

» ছিন্নমূলদের মাঝে খাবার বিতরণ করলো জেলা ছাত্রলীগ নেতা নাহিদুল

» ঈদের পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাচ্ছে না হালুয়াঘাটের ধুরাইলবাসী! ভিডিও

» বাকৃবি ২০১১-১৩ ছাত্রলীগের উদ্যোগে দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী প্রদান

» ঈশ্বরগঞ্জে যুবলীগ নেতা মাহবুবের ঈদ উপহার পেলো ৪শ পরিবার

» দ্বিতীয় দিনে ৩শ পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন যুবলীগ নেতা রুমেল

» আগামীকাল থেকে নিত্যপণ্য ছাড়া সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে

» আনন্দমোহন কলেজ মাঠ থেকেই ছাত্রলীগ সভাপতি রকিবের ত্রাণ বিতরণ

» ঈদ উপহার নিয়ে এক হাজার পরিবারের পাশে যুবলীগ নেতা আসাদুজ্জামান রুমেল

» ঈদে কেনাকাটার টাকায় খাদ্য কিনে প্রতিবন্ধীদের দিলেন ময়মনসিংহের এসপি

» বিশেষ ওএমএস খাদ্য তালিকায় কারাবন্দীর নাম; সমালোচনার ঝড়

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com

,

basic-bank

ময়মনসিংহের দৃষ্টিনন্দন জনবান্ধব থানা ফুলবাড়িয়া

বিল্লাল হোসেন প্রান্ত ॥

পুলিশ মানেই কঠিন, কঠোর, ভিন্ন দৃষ্টির মানুষ। এমন ধারনা অনেক সাধারণ মানুষের মধ্যেই আছে। এ বোধ সমাজের অনেক সচেতন নাগরিক মহলেও আছে। সহজে পুলিশের সংস্পর্শে যাওয়া যাবে না। কথায় আছে বাঘে ছুলে আঠারো ঘা, পুলিশ ছুলে ৩৬ ঘা। এ ধারনা একেবারে অমুলক তাও বলতে চাই না। সেটি নিতান্তই পুলিশী আইন ভঙ্গকারী, দুস্কৃতিকারী, অপরাধীদের জন্যই হওয়া উচিত। তবে সাধারণ জনগনের জন্য পুলিশ ভীতি কাটিয়ে দৃষ্টিনন্দন জনবান্ধব থানায় রূপান্তর হয়েছে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানা। আর এর পেছেনে কাজ করে যাচ্ছেন ফুলবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ কবিরুল ইসলাম। তার সাথে রয়েছেন ফুলবাড়িয়া থানার ওসি তদন্ত আবুল খায়ের।

ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলাটি একটি জনবহুল এলাকা। ১৩ টি ইউনিয়ন নিয়ে উপজেলা এবং ৯ টি ওয়ার্ড নিয়ে পৌর এলাকা। জনসংখ্যার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুলিশের সংখ্যা অনেক কম। ফলে পুলিশ সদস্যদের প্রায় ২৪ ঘণ্টা তাদের কাজকর্মে ব্যস্থ থাকতে হয়। শত ব্যস্থতার মাঝেও ফুলবাড়িয়া থানার পুলিশ সদস্যরা তাদের থানা ভবনকে ফুলে ফলে সাজিয়ে তুলেছেন।

ফুলবাড়িয় থানায় সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নির্মিত হয়েছে আধুনিক থানা মসজিদ। দৃষ্টিনন্দন ওই মসজিদটি উপজেলার মানুষজনকে আকৃষ্ট করে তুলেছে। আর সেই সাথে থানা ভবনকে আরো সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলতে ভবনের সামনে গড়ে তোলা হয়েছে গোলাপ ফুলের বাগান। থানা এলাকার ভিতরে খালি জমিতে আরেকটি বাগানে চাষ করা হয় ড্রাগন ফলের এর সাথে পালং শাকেরও চাষ হয়। আর থানা ভবনের ঠিক পিছনে আরেকটি বাগান রয়েছে। যেখানে বিভিন্ন ফলজ গাছ সহ শাক সবজির চাষ করা হয়। ছোট ছোট আম গাছে থোকায় থোকায় আম। পেপে গাছে পেপে। প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠেই ফুল ফলের বাগানের পরিচর্যা করেন ওসি শেখ কবিরুল ইসলাম। শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিয়মিত নিজেই ফুল গাছগুলোর পরিচর্যার পাশাপাশি প্রতিটি গাছে পানি দিয়ে থাকেন। ফলে ফুলবাড়িয়া থানা ভবন, মসজিদ, ফুল ও ফলের বাগানে সবার দৃষ্টি পড়েছে।

এখন মানুষের কাজ না থাকলেও দেখতে আসেন থানা ভবনের ফুল ও ফলের বাগানসহ ভিতরের সোন্দর্য্য। দেখে মনে হয় এটা থানা নয়, যেন ফুলের পার্ক। নজর কাড়া আকর্ষণ যা পুলিশের প্রতি জনগনের দৃষ্টিভঙ্গিকে পরিবর্তন করেছে। পুলিশকে করেছে জনবান্ধব।

শুধু ফুল আর ফলের বাগান নয়। ওসি কবিরুল ইসলাম এ থানায় ২০১৭ সালের ৯ মে যোগদানের পরই পুরাতন থানা ভবন ভেঙে নতুনভাবে পুলিশ ব্যারাক, পুরাতন থানা ভবনের অংশ বিশেষ ভেঙ্গে সম্পূর্ণ নতুন ভাবে উন্নত কনফারেন্স রুম নির্মান ও আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করেছেন। উন্নতমানের শিশু বান্ধব কক্ষ নির্মান। জরাজির্ন গাড়ীর গ্যারেজ ভেঙ্গে মানসম্মত গ্যারেজ নির্মান। মসজিদে যাওয়ারা জন্য পার্কিং টাইলস সহ রাস্তা নির্মান। টিনসেট থানা ভবনে মানসম্মত আধুনিক দুটি টয়লেট,দুটি প্রসাবখানাসহ টাইলস স্থাপন, সেফটি ট্যাকিং নির্মান করেছেন। পুরাতন থানা ভবনকে নতুনভাবে থাই এ্যালুমিনিয়াম গ্লাস লাগানোসহ রং করা। থানা ভবনের ভিতরে নিচু জায়গায় বালি মাটি ভরাট করা। রান্নাঘরের টিনের ছাউনি মেরামত। ইন্সপেকশন রুমের টিনের ছাউনী মেরামত টাইলস, গ্রীল লাগানোসহ রং করে দৃষ্টিনন্দন করে তোলা হয়েছে।

এছাড়া গড়ে তোলা হয়েছে টিনসেট মটরসাইকেল গ্যারেজ। আরসিসি ঢালাই দিয়ে খেলার মাঠ নির্মান করা হয়েছে। থানার মূল গেইট রং করা,সাব ইন্সপেক্টরদের কোয়াটারে টিনের ছাউনী ও মেরামত করা হয়েছে। থানার ভিতরে অফিসার ও ফোর্সদের গোসলখানা ও টয়লেট নির্মান। আরসিসি রাস্তা নির্মান। গোলঘর সংস্কার ও টাইলস লাগানো। থানা মসজিদের নিচ তলার ফোর, দোতালার ফোর এবং সিড়ি টাইলস করণ। থানা মসজিদে সিলিং ফ্যান সংযোজন। নিচ তলায় এসএস টাইপের গ্রীল, থাই এ্যালুমিনিয়ামসহ গ্লাস স্থাপন। থানা মসজিদ মিনারে সম্পূর্ণরূপে টাইলস স্থাপন। দর্শনীয় গেইট,টাইলস স্থাপন,এলিডি লাইট লাগানো হয়েছে। মসজিদের ফুল বাগান তৈরী করা। থানা মসজিদের সাইড দেয়ালসহ পকেট গেইট নির্মান ও মেহরাবের পাশে দেয়াল নির্মান করা হয়েছে। মসজিদের মেহরাব কক্ষ নতুন করে মেরামত এবং দেয়াল সংলগ্ন পুকুড়ে মাটি ভরাট। মসজিদের সেফটি ট্যাকিং নির্মান। এছাড়াও মসজিদের দুটি টয়লেট, দুটি প্রসাবখানা ও ২২ টি আসনের অজুখানা নির্মান করা হয়েছে।

ফুলবাড়িয়া থানার ওসি শেখ কবিরুল ইসলাম বলেন, সমাজে ফুলকে ভালোবাসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া হয়তো বা যাবে না। বিভিন্ন কারণেই থানায় প্রতিদিন অনেক লোকজন আসেন। তাদের কাছে নিজের স্মৃতিচিহৃ রেখে যাওয়ার প্রয়াস থেকেই আমার এই ুদ্র চেষ্টা।
তিনি বলেন, আমি ফুলবাড়িয়া থানায় যোগদানের পর প্রতিটি উন্নয়ন ও সোন্দর্য্যবর্ধনের সাথে জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম স্যারের নির্দেশনা ও পরামর্শ পেয়েছি। সেই সাথে এ এলাকার জনপ্রতিনিধিদের আন্তরিক সহযোগিতায় আজ এ থানা ভবনে শুধু অপরাধীরাই নয়। সাধারণ জনগণও আসেন এর সোন্দর্য্য অবলোকন করতে।


থানার সোন্দর্য্য বর্ধনের সাথে সাথে ওসি শেখ কবিরুল ইসলাম যেমনটা যতœবান তেমনি উপজেলার আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে কঠোরহস্ত। মাদক, জুয়া, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স শতভাগ নিশ্চিতে অনড় তিনি। থানা ভবনে ডুকতেই সকলের নজর কারবে একটি বিজ্ঞপ্তি। ‘দয়া করিয় মোটরসাইকেল সংক্রান্তে তদবির করিয়া বিব্রত করিবেন না’। এপ্রিল মাসে ফুলবাড়িয়া থানায় মাদকের মামলা হয়েছে ১০টি। গ্রেফতার হয়েছে ১১ জন। উদ্ধার হয়েছে ২৫৪ পিস ইয়াবা, ৫শ গ্রাম গাঁজা, ১শ লিটার চোলাই মদ। এছাড়া মঙ্গলবার ৩টি মামলার ১১ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে সেদিন গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করতে দেখা গেছে।

Print Friendly, PDF & Email
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন : Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com