সকাল ১১:২৫ | বুধবার | ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং | ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগকে করায়ত্ত করার রাজনীতিতে অস্থির আনন্দমোহন কলেজ

বিল্লাল হোসেন প্রান্তঃ

রাজনৈতিক সৌহার্দ্য, ঐক্যতা, সম্মান যেন দিনে দিনে তলানিতে পৌছে যাচ্ছে। আদর্শ আর জনপ্রিয়তার বুলি আওরে ব্যাক্তিকরণেই ব্যস্ত দায়িত্বশীলরা। যেদিকে তাকানো যায় সংগঠনের নয় নিজের লোক চাই। এ প্রতিযোগিতায় অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে কর্মীদের মাঝে। ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগ সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ এগেরাকলে।

 

 

সম্প্রতি ময়মনসিংহ ছাত্রলীগকে ঘিরে অস্থিরতার কালো মেঘ যেন কাটছেই না। জেলা ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে চলছে নানা দুদল্যমানতা। অবমূল্যায়নের শিকার হচ্ছে বিগত দিনে নেতৃত্বদানকারী নেতারা। গত ৩১ জুলাই এর নতুন নজির সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি সাবেক জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সভাপতি রকিবুল ইসলাম রকিবকে ঘিরে কলেজে ছাত্রলীগের একাংশের অপরাজনীতি শুরু হয়েছে। কলেজ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হলেও জেলা ছাত্রলীগ সভাপতিকে ঢুকতে দেয়া হয়নি অনুষ্ঠানস্থলে। এ নিয়ে অনুষ্ঠানে আগত প্রধান অতিথিও অনেকটা ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।

আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ৫ দিনব্যাপী “সাংস্কৃতিক সপ্তাহ” পালনের শেষ দিন ছিলো ৩১ জুলাই বুধবার।আজকের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবু এমপি। কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র ভৌমিকের সভাপতিত্বে এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল,জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান।

 

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কে এম খালিদ বাবু শুরুতেই অনুষ্ঠানস্থলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম থাকায় তিনি বলেন”আমরা যখন এই কলেজের ছাত্র ছিলাম তখন ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫ হাজার , আর বর্তমানে ছাত্র -ছাত্রী ৩৭ হাজার অথচ আজকে এত বড় একটা অনুষ্ঠান সেখানে উপস্থিতি খুবই নগন্য”।

 

 

কলেজ প্রশাসনের ব্যর্থতা উল্লেখ করে তিনি বলেন “কোথায় আপনাদের নিয়ন্ত্রন আবার সফলতা দাবি করেন,কোয়ালিটি নিয়ে লড়াই করা যায় না,কোয়ালিটি তৈরি করতে হয়”।

 

 

প্রধান অতিথি অনুষ্ঠানের ব্যনারে ও কলেজে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোন ছবি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যেখানে আমার জাতির পিতা নেই, সেখানে আমার এই মঞ্চে আসা উচিত হয়নি।

 

 

অন্যদিকে অনুষ্ঠানস্থলে আমন্ত্রিত অতিথি আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক সভাপতি ও ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ বর্তমান সভাপতি মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিবের নেতৃত্বে একটি মিছিল সভাস্থলে প্রবেশ করতে চাইলে কলেজ গেইটে ময়মনসিংহ সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু শ্লোগান দিয়ে মিছিলটিকে মূল ফটকে আটকে দেয়া হয়।

 

 

এ সময় তারা আনন্দমোহন কলেজের মাটি, টিটু ভাইয়ের ঘাটি স্লোগান দিতে থাকে। পরে জেলা ছাত্রলীগের মিছিলটি কলেজ গেইটের সামনে অবস্থান নেয় এই সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।

 

 

এপরিস্থিতি অবলোকন করে প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবু তার বক্তব্যে বলেন”আমাদের অনুষ্ঠানে আজকে গেইটে ছাত্ররা দাড়িয়ে আছে একদল ঢুকবে আর এক দল ঢুকতে দিবে না,কেন ঢুকতে দেয় না, কিসের ভয়ে, কার জন্য এই লড়াই,এই লড়াই তৈরী করেছি আমি আর আপনি। ছাত্র-ছাত্রীদের কোন দোষ নেই”।

 

 

এবিষয়ে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রকিবুল ইসলাম রকিব বলেন, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক মাঠে কাজ করে, প্রানের আনন্দমোহন কলেজে ছাত্র রাজনীতির পরিবেশে সৃষ্টি করে ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করে পুরস্কার হিসেবে পেলার অবমূল্যায়ন ও প্রতিহিংসার কষাঘাত। এ অবমূল্যায়ন আমার নয়, এটি আওয়ামী লীগকে অবমূল্যায়ন। অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও নগর পিতার উপস্থিতিতে কারা এটি করেছে ময়মনসিংহবাসী জানতে পেরেছেন।

 

 

তিনি বলেন, ময়মনসিংহের রাজনীতিকদের অজানা নয়, আনন্দমোহন কলেজের আগের দিনগুলি ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে। এখানে নিজস্ব রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করতে কারা ছাত্রলীগকে অস্থিতিশীল করছে এটিও সবার জানা। আমি একজন নগন্য কর্মী হিসাবে আওয়ামী লীগের অভিভাবকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এঅবস্থা চলতে থাকলে একদিন আসবে আদর্শিক কর্মীহিনতায় পরবে প্রাণের সংগঠন আওয়ামী লীগ।

Print Friendly, PDF & Email
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন : Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» প্রতিবন্ধী ও অসহায়দের মাঝে ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগের খাবার বিতরণ

» প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে জেলা যুবলীগের বৃক্ষ রোপণ ও খাবার বিতরণ

» ময়মনসিংহের কৃষ্টপুরে নিয়ম বহির্ভূত বিল্ডিংয়ে জনদুর্ভোগ

» ময়মনসিংহে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের প্রতিবাদ সমাবেশ, মানববন্ধন

» ছাত্রলীগের পদ প্রত্যাশায় ত্যাগী নেতাদের নিয়ে সমালোচনার প্রতিযোগীতা

» পরাণগঞ্জে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন প্রতিবাদ সমাবেশ

» কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের আগস্ট আলোচনা সভায় ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ

» দলীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সম্মেলন;একান্ত স্বাক্ষাৎকারে-সাংঠনিক সম্পাদক নাদেল

» সংগ্রাম ছাড়া, রাজপথ ছাড়া নেতা হওয়া যায়না,চক্রান্ত করা যায়- ইউসুফ খান পাঠান

» ময়মনসিংহে দোকানকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ককটেল চার্জ ৩১ আটক

» ময়মনসিংহে ফের ৮জনের মৃত্যু; মানুষ খেকো মহাসড়ক ১৪ দিনে কেড়ে নিলো ২২ প্রাণ

» ময়মনসিংহের সড়কে মৃত্যুর মিছিল! ১০ দিনের ব্যবধানে ঝরে গেল ১৫ তাজা প্রাণ

» ধোবাউড়ায় গৃহবধূর মৃত্যু; আত্মহত্যা না হত্যা তা নিয়ে ধুম্রজাল!

» ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৭

» তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com

,

basic-bank

ছাত্রলীগকে করায়ত্ত করার রাজনীতিতে অস্থির আনন্দমোহন কলেজ

বিল্লাল হোসেন প্রান্তঃ

রাজনৈতিক সৌহার্দ্য, ঐক্যতা, সম্মান যেন দিনে দিনে তলানিতে পৌছে যাচ্ছে। আদর্শ আর জনপ্রিয়তার বুলি আওরে ব্যাক্তিকরণেই ব্যস্ত দায়িত্বশীলরা। যেদিকে তাকানো যায় সংগঠনের নয় নিজের লোক চাই। এ প্রতিযোগিতায় অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে কর্মীদের মাঝে। ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগ সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ এগেরাকলে।

 

 

সম্প্রতি ময়মনসিংহ ছাত্রলীগকে ঘিরে অস্থিরতার কালো মেঘ যেন কাটছেই না। জেলা ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে চলছে নানা দুদল্যমানতা। অবমূল্যায়নের শিকার হচ্ছে বিগত দিনে নেতৃত্বদানকারী নেতারা। গত ৩১ জুলাই এর নতুন নজির সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি সাবেক জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সভাপতি রকিবুল ইসলাম রকিবকে ঘিরে কলেজে ছাত্রলীগের একাংশের অপরাজনীতি শুরু হয়েছে। কলেজ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হলেও জেলা ছাত্রলীগ সভাপতিকে ঢুকতে দেয়া হয়নি অনুষ্ঠানস্থলে। এ নিয়ে অনুষ্ঠানে আগত প্রধান অতিথিও অনেকটা ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।

আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ৫ দিনব্যাপী “সাংস্কৃতিক সপ্তাহ” পালনের শেষ দিন ছিলো ৩১ জুলাই বুধবার।আজকের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবু এমপি। কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র ভৌমিকের সভাপতিত্বে এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল,জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান।

 

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কে এম খালিদ বাবু শুরুতেই অনুষ্ঠানস্থলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম থাকায় তিনি বলেন”আমরা যখন এই কলেজের ছাত্র ছিলাম তখন ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫ হাজার , আর বর্তমানে ছাত্র -ছাত্রী ৩৭ হাজার অথচ আজকে এত বড় একটা অনুষ্ঠান সেখানে উপস্থিতি খুবই নগন্য”।

 

 

কলেজ প্রশাসনের ব্যর্থতা উল্লেখ করে তিনি বলেন “কোথায় আপনাদের নিয়ন্ত্রন আবার সফলতা দাবি করেন,কোয়ালিটি নিয়ে লড়াই করা যায় না,কোয়ালিটি তৈরি করতে হয়”।

 

 

প্রধান অতিথি অনুষ্ঠানের ব্যনারে ও কলেজে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোন ছবি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যেখানে আমার জাতির পিতা নেই, সেখানে আমার এই মঞ্চে আসা উচিত হয়নি।

 

 

অন্যদিকে অনুষ্ঠানস্থলে আমন্ত্রিত অতিথি আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক সভাপতি ও ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ বর্তমান সভাপতি মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিবের নেতৃত্বে একটি মিছিল সভাস্থলে প্রবেশ করতে চাইলে কলেজ গেইটে ময়মনসিংহ সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু শ্লোগান দিয়ে মিছিলটিকে মূল ফটকে আটকে দেয়া হয়।

 

 

এ সময় তারা আনন্দমোহন কলেজের মাটি, টিটু ভাইয়ের ঘাটি স্লোগান দিতে থাকে। পরে জেলা ছাত্রলীগের মিছিলটি কলেজ গেইটের সামনে অবস্থান নেয় এই সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।

 

 

এপরিস্থিতি অবলোকন করে প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবু তার বক্তব্যে বলেন”আমাদের অনুষ্ঠানে আজকে গেইটে ছাত্ররা দাড়িয়ে আছে একদল ঢুকবে আর এক দল ঢুকতে দিবে না,কেন ঢুকতে দেয় না, কিসের ভয়ে, কার জন্য এই লড়াই,এই লড়াই তৈরী করেছি আমি আর আপনি। ছাত্র-ছাত্রীদের কোন দোষ নেই”।

 

 

এবিষয়ে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রকিবুল ইসলাম রকিব বলেন, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক মাঠে কাজ করে, প্রানের আনন্দমোহন কলেজে ছাত্র রাজনীতির পরিবেশে সৃষ্টি করে ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করে পুরস্কার হিসেবে পেলার অবমূল্যায়ন ও প্রতিহিংসার কষাঘাত। এ অবমূল্যায়ন আমার নয়, এটি আওয়ামী লীগকে অবমূল্যায়ন। অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও নগর পিতার উপস্থিতিতে কারা এটি করেছে ময়মনসিংহবাসী জানতে পেরেছেন।

 

 

তিনি বলেন, ময়মনসিংহের রাজনীতিকদের অজানা নয়, আনন্দমোহন কলেজের আগের দিনগুলি ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে। এখানে নিজস্ব রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করতে কারা ছাত্রলীগকে অস্থিতিশীল করছে এটিও সবার জানা। আমি একজন নগন্য কর্মী হিসাবে আওয়ামী লীগের অভিভাবকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এঅবস্থা চলতে থাকলে একদিন আসবে আদর্শিক কর্মীহিনতায় পরবে প্রাণের সংগঠন আওয়ামী লীগ।

Print Friendly, PDF & Email
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন : Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com