দুপুর ১২:০০ | রবিবার | ৩১শে মে, ২০২০ ইং | ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ছবির মানুষগুলো আছেন আপনার পাশে; চাইছেন শুধু ঘরে থাকার সহযোগীতা

বিল্লাল হোসেন প্রান্তঃ

করোনা মোকাবেলায় মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে ময়মনসিংহের প্রশাসন। ফোন করলেই খাদ্য সহায়তা পৌছে দিচ্ছেন আপনার ঘরে। এছাড়াও যেকোন সমস্যায় সরকারের সকল সহযোগীতা অবারিত সকলের জন্য। বিনিময়ে চাইছেন শুধু আপনার ঘরে থাকার সহযোগীতা।

 

 

সারা দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমনে জনজীবনে যখন নেমে এসেছে দুর্ভোগ, অভাব-অনটন। তখনি সরকারের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ময়ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক ড. মিজানুর রহমান ও জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান।

 

 

এই দুই কর্মকর্তার নির্দেশে খাদ্যসামগ্রী ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ হাফিজুল রহমান, সদর এসিল্যান্ড ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এম সাজ্জাদুল হাসান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. শাহ কামাল আকন্দসহ কর্মকর্তারা। ঘরে বন্ধি থাকা মানুষের মোবাইল কল পেলেই বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় ত্রাণ নিয়ে ছুটে যান ওই কর্মকর্তারা।

 

 

মোবাইল ফোনের কললিস্ট এবং ফেসবুকের কমেন্ট বক্সের সূত্রধরে সরকারী, বেসরকারী বিভিন্ন সুবিধা বঞ্চিত অসহায়, হতদরিদ্র, কর্মহীন পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। সরেজমিন দেখা যায়, সকাল থেকে সন্ধ্যা, সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সরকারী এই কর্মকর্তারা নিজস্ব গাড়িতে করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন। দিনের বেলায় যতক্ষণ অফিস থাকেন, ওই সময় কখনও করোনাসংক্রান্ত সচেতনতামূলক মিটিং, কখনও অফিসে আগত অসহায় মানুষকে ত্রাণ বিতরণ, আবার কখনও কখনও রাস্তায় টহলে ব্যস্ত থাকছেন প্রশাসনের এই কর্মকর্তারা।

 

 

জেলা প্রশাসক ড. মিজানুর রহমাম তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে বলেন, প্রিয় ময়মনসিংহবাসী ‘আপনাদের সম্মানের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। আপনারা অবগত আছেন বাংলাদেশ সরকারের নিদের্শনা মোতাবেক সরকারী বরাদ্দ ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পরিস্থিতিতে আপনি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। মানুষের ঘরে ঘরে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন খাদ্য সহায়তা পৌছে দিচ্ছি । আপনার জানামতে বিভিন্ন ক্যাটাগরির এমন কোন ব্যক্তি যদি থাকেন যার ঘরে খাবার নাই কিংবা তারা কাহার নিকট বলতে পারছেন না, ফোন করুন, খাবার পৌঁছে যাবে আপনার ঘরে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য এ সেবাটি চালু হলো। আমরা সকলের কাছে সেবাটি পৌঁছে দিবো ইনশাআল্লাহ। ভুল হলে সহযোগিতা করে শুধরে দিবেন- এটা আমাদের প্রত্যাশা। সহায়তা নিতে বিব্রতবোধ করছেন, তাদের নাম ঠিকানা মোবাইল নম্বর অনুগ্রহ করে ফেসবুক আইডির কমেন্টবক্স কিংবা ০১৪০৪৪০৯২০৬ ফোন নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ করছি। সকলকে ধন্যবাদ।পরিচয় গোপন রেখে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা আপনার বাসায় পৌঁছে দেব।

 

 

এদিকে বেশ কয়েকদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে সহাস্রাধিক অসহায়, কর্মহীন পরিবারের মাঝে জেলা প্রাশসান ও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এভাবে অনেক পরিবারের মাঝে কর্মকর্তারা ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিয়ে অসহায় পরিবারে মাঝে হাসি ফুটিয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সহায়তায় উপজেলার কয়েক হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয় ।

 

 

অন্যদিকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় নগরীতে অঘোষিত লকডাউন থাকায় ফুটপাতে থাকা ভাসমানদের আহার যুগিয়ে চলছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান। রান্না করা খাবার প্যাকেট নিয়ে নগরীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে ঘুরে ভাসমান অনহারী মানুষের মুখে নিয়মিত আহার তুলে দিচ্ছেন তিনি। ইতিমধ্যে পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামানের মানবিকতার খবর জেলার সকলস্তরে ব্যাপকভাবে সারা ফেলেছে। পুলিশ সুপারের ফেইসবুকে আবেদন করে, ৬ সদস্যের পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকা এবং স্বামীহারা নারীর পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে। এমন খবরে তাৎক্ষণিক জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. শাহ কামাল আকন্দের মাধ্যমে অসহায় পরিবারকে খুঁজে ১০ দিনের খাবার তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়।

 

 

ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ও নগরীর বেশ কয়েকজন উপকারভুগী জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসকের নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে নাম, ঠিকানা দেওয়ার ১ দিন পরে ত্রান সামগ্রী নিয়ে হাজির । এছাড়াও জেলা পুলিশ সুপারের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে নাম ঠিকানা দেওয়ার কিছুক্ষন পর খাদ্যসামগ্রী নিয়ে বাড়িতে এসে দিয়ে যান জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. শাহ কামাল আকন্দ।
এমন দৃশ্য দেখে অনেককে আনন্দে কান্না করতেও দেখা গেছে।

 

 

নিজেদের ব্যবস্থাপনায় অসহায়দের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এফতেখার উদ্দিন। সরকারি কর্মকর্তাদের এমন মানবিকতা দেখে অনককেই আবেগাপ্লুত হতে দেখা গেছে। ত্রাণ সহায়তস পেয়ে তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রশাসনের এই কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

 

ময়মনসিংহের আপামর জনগণকে ভালো রাখতে প্রাণপন চেষ্টা করে যাচ্ছেন সরকারের এই দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। বিনিময়ে তারা শুধু চাইছেন জনগণ ঘরে থাক, ভালো থাক, নিরাপদ থাকুক।

Print Friendly, PDF & Email
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন : Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» মমেকে কোভিড হাসপাতাল প্রস্তাবের বিপক্ষে লিফটের বিতরণ

» মমেক হাসপাতালের নতুন ভবনে কোভিড চিকিৎসার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী

» বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মীদের ঈদ উপহার নগদ অর্থ দিলেন করোনা যোদ্ধা ডা: আশিক

» আফাজ উদ্দিন সরকার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

» এসএসসি ১৯৯৯-২০০০ ব্যাচের উদ্যােগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

» মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাদার ইফতার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

» ছিন্নমূলদের মাঝে খাবার বিতরণ করলো জেলা ছাত্রলীগ নেতা নাহিদুল

» ঈদের পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাচ্ছে না হালুয়াঘাটের ধুরাইলবাসী! ভিডিও

» বাকৃবি ২০১১-১৩ ছাত্রলীগের উদ্যোগে দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী প্রদান

» ঈশ্বরগঞ্জে যুবলীগ নেতা মাহবুবের ঈদ উপহার পেলো ৪শ পরিবার

» দ্বিতীয় দিনে ৩শ পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন যুবলীগ নেতা রুমেল

» আগামীকাল থেকে নিত্যপণ্য ছাড়া সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে

» আনন্দমোহন কলেজ মাঠ থেকেই ছাত্রলীগ সভাপতি রকিবের ত্রাণ বিতরণ

» ঈদ উপহার নিয়ে এক হাজার পরিবারের পাশে যুবলীগ নেতা আসাদুজ্জামান রুমেল

» ঈদে কেনাকাটার টাকায় খাদ্য কিনে প্রতিবন্ধীদের দিলেন ময়মনসিংহের এসপি

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com

,

basic-bank

ছবির মানুষগুলো আছেন আপনার পাশে; চাইছেন শুধু ঘরে থাকার সহযোগীতা

বিল্লাল হোসেন প্রান্তঃ

করোনা মোকাবেলায় মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে ময়মনসিংহের প্রশাসন। ফোন করলেই খাদ্য সহায়তা পৌছে দিচ্ছেন আপনার ঘরে। এছাড়াও যেকোন সমস্যায় সরকারের সকল সহযোগীতা অবারিত সকলের জন্য। বিনিময়ে চাইছেন শুধু আপনার ঘরে থাকার সহযোগীতা।

 

 

সারা দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমনে জনজীবনে যখন নেমে এসেছে দুর্ভোগ, অভাব-অনটন। তখনি সরকারের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ময়ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক ড. মিজানুর রহমান ও জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান।

 

 

এই দুই কর্মকর্তার নির্দেশে খাদ্যসামগ্রী ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ হাফিজুল রহমান, সদর এসিল্যান্ড ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এম সাজ্জাদুল হাসান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. শাহ কামাল আকন্দসহ কর্মকর্তারা। ঘরে বন্ধি থাকা মানুষের মোবাইল কল পেলেই বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় ত্রাণ নিয়ে ছুটে যান ওই কর্মকর্তারা।

 

 

মোবাইল ফোনের কললিস্ট এবং ফেসবুকের কমেন্ট বক্সের সূত্রধরে সরকারী, বেসরকারী বিভিন্ন সুবিধা বঞ্চিত অসহায়, হতদরিদ্র, কর্মহীন পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। সরেজমিন দেখা যায়, সকাল থেকে সন্ধ্যা, সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সরকারী এই কর্মকর্তারা নিজস্ব গাড়িতে করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন। দিনের বেলায় যতক্ষণ অফিস থাকেন, ওই সময় কখনও করোনাসংক্রান্ত সচেতনতামূলক মিটিং, কখনও অফিসে আগত অসহায় মানুষকে ত্রাণ বিতরণ, আবার কখনও কখনও রাস্তায় টহলে ব্যস্ত থাকছেন প্রশাসনের এই কর্মকর্তারা।

 

 

জেলা প্রশাসক ড. মিজানুর রহমাম তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে বলেন, প্রিয় ময়মনসিংহবাসী ‘আপনাদের সম্মানের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। আপনারা অবগত আছেন বাংলাদেশ সরকারের নিদের্শনা মোতাবেক সরকারী বরাদ্দ ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পরিস্থিতিতে আপনি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। মানুষের ঘরে ঘরে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন খাদ্য সহায়তা পৌছে দিচ্ছি । আপনার জানামতে বিভিন্ন ক্যাটাগরির এমন কোন ব্যক্তি যদি থাকেন যার ঘরে খাবার নাই কিংবা তারা কাহার নিকট বলতে পারছেন না, ফোন করুন, খাবার পৌঁছে যাবে আপনার ঘরে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য এ সেবাটি চালু হলো। আমরা সকলের কাছে সেবাটি পৌঁছে দিবো ইনশাআল্লাহ। ভুল হলে সহযোগিতা করে শুধরে দিবেন- এটা আমাদের প্রত্যাশা। সহায়তা নিতে বিব্রতবোধ করছেন, তাদের নাম ঠিকানা মোবাইল নম্বর অনুগ্রহ করে ফেসবুক আইডির কমেন্টবক্স কিংবা ০১৪০৪৪০৯২০৬ ফোন নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ করছি। সকলকে ধন্যবাদ।পরিচয় গোপন রেখে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা আপনার বাসায় পৌঁছে দেব।

 

 

এদিকে বেশ কয়েকদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে সহাস্রাধিক অসহায়, কর্মহীন পরিবারের মাঝে জেলা প্রাশসান ও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এভাবে অনেক পরিবারের মাঝে কর্মকর্তারা ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিয়ে অসহায় পরিবারে মাঝে হাসি ফুটিয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সহায়তায় উপজেলার কয়েক হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয় ।

 

 

অন্যদিকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় নগরীতে অঘোষিত লকডাউন থাকায় ফুটপাতে থাকা ভাসমানদের আহার যুগিয়ে চলছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান। রান্না করা খাবার প্যাকেট নিয়ে নগরীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে ঘুরে ভাসমান অনহারী মানুষের মুখে নিয়মিত আহার তুলে দিচ্ছেন তিনি। ইতিমধ্যে পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামানের মানবিকতার খবর জেলার সকলস্তরে ব্যাপকভাবে সারা ফেলেছে। পুলিশ সুপারের ফেইসবুকে আবেদন করে, ৬ সদস্যের পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকা এবং স্বামীহারা নারীর পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে। এমন খবরে তাৎক্ষণিক জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. শাহ কামাল আকন্দের মাধ্যমে অসহায় পরিবারকে খুঁজে ১০ দিনের খাবার তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়।

 

 

ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ও নগরীর বেশ কয়েকজন উপকারভুগী জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসকের নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে নাম, ঠিকানা দেওয়ার ১ দিন পরে ত্রান সামগ্রী নিয়ে হাজির । এছাড়াও জেলা পুলিশ সুপারের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে নাম ঠিকানা দেওয়ার কিছুক্ষন পর খাদ্যসামগ্রী নিয়ে বাড়িতে এসে দিয়ে যান জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. শাহ কামাল আকন্দ।
এমন দৃশ্য দেখে অনেককে আনন্দে কান্না করতেও দেখা গেছে।

 

 

নিজেদের ব্যবস্থাপনায় অসহায়দের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এফতেখার উদ্দিন। সরকারি কর্মকর্তাদের এমন মানবিকতা দেখে অনককেই আবেগাপ্লুত হতে দেখা গেছে। ত্রাণ সহায়তস পেয়ে তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রশাসনের এই কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

 

ময়মনসিংহের আপামর জনগণকে ভালো রাখতে প্রাণপন চেষ্টা করে যাচ্ছেন সরকারের এই দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। বিনিময়ে তারা শুধু চাইছেন জনগণ ঘরে থাক, ভালো থাক, নিরাপদ থাকুক।

Print Friendly, PDF & Email
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন : Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

২২ সি কে ঘোষ রোড, ময়মনসিংহ
বার্তা কক্ষ : ০১৭৩৬ ৫১৪ ৮৭২
ইমেইল : dailyjonomot@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার দৈনিক জনমত .কম

কারিগরি সহযোগিতায় BDiTZone.com